সৌদিতে সড়কে নিহত ৭ জনই কক্সবাজারের: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়
দুর্ঘটনার সময় গাড়ির গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৬০ কিলোমিটার, বলেছে মন্ত্রণালয়।
সৌদি আরবের মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের সবাই বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
এর আগে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেটের কর্মকর্তারা প্রথমবার সাত বাংলাদেশি এবং পরে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিলেন।
সবশেষ শনিবার রাতে সাতজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় ছয়জন আহত হয়েছেন। হতাহতদের সবাই কক্সবাজারের তিন পরিবারের সদস্য।
শুক্রবার রাতে সৌদি আরবের আল-হিমনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেট ও খোলাইস ট্রাফিক অফিসের বরাতে মন্ত্রণালয় বলেছে, গাড়িটি পাকিস্তানের এক নাগরিক চালাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার সময় গাড়ির গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৬০ কিলোমিটার।
সৌদি ট্রাফিক পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, অতিরিক্ত গতির কারণে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। তবে গাড়ি চালকের দাবি, চাকা ফেটে যাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার আসল কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় জিয়াউর রহমান নামে এক ব্যক্তি, তার মেয়ে বুশরা ও দুই ছেলে ইয়াসির ও ইয়াযান মারা গেছেন। তাদের মরদেহ আল-হিমনা জেনারেল হাসপাতালে রাখা আছে।
জিয়াউর রহমানের স্ত্রী শাকিরা ভর্তি আছেন খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে। তার আরেক মেয়েকে নেওয়া হয়েছে জেদ্দার বাদশা আব্দুল আজিজ হাসপাতালে।
এ ঘটনায় আলম শাহ নামে আরেক প্রবাসীর স্ত্রী সানজিদা ও মেয়ে ফারিয়া মারা গেছেন। সানজিদার মরদেহ আল-হিমনা জেনারেল হাসপাতালে এবং ফারিয়ার মরদেহ খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে আছে।
দুর্ঘটনায় আলম শাহের ছেলে ফায়সালকে ইস্ট জেদ্দা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আলম শাহ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
নিহত আরেকজনের নাম আফসানা বিবি; তার স্বামীর নাম ইলিয়াস। আফসানা কয়েক দিন আগে ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরব গিয়েছিলেন। তার লাশও খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে রাখা আছে।
ইলিয়াস প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। এছাড়া গফুর আলম নামে আহত এক বাংলাদেশিকে খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
