১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

নীলফামারীতে ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে ৪৯৩ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত

ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ি এবং উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

নীলফামারী প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 28 Mar 2026, 09:43 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:16 PM

নীলফামারীর বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ৪৯৩ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরেরর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) জাকির হোসেন শনিবার রাতে বলেন, শুক্রবার রাতের ঝড়-বৃষ্টিতে ফসলি জমির ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক জরিপ হাতে এসেছে। তাতে এই চিত্র পাওয়া গেছে। 

ডোমার, ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ি এবং উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। 

কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির হিসাব অনুযায়ী, ৩২৫ হেক্টর ভুট্টা, ১৫০ হেক্টর বোরো ধান, ১৫ হেক্টর মরিচ এবং ৩ হেক্টর জমির কলার ক্ষতি হয়েছে। 

এর মধ্যে ডিমলা উপজেলার সদর, পূর্ব ছাতনাই ও ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নে ৭৫ হেক্টর ভুট্টা, বোড়াগাড়ি ইউনিয়নের ১৫০ হেক্টর জমির বোরো ধান, ২০০ হেক্টর ভুট্টা, ১৫ হেক্টর মরিচ এবং ৩ হেক্টর জমির কলা, জলঢাকা উপজেলার ধর্মপাল ও শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের ৫০ হেক্টর জমির ভুট্টার ক্ষতি হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, বোরো ধান, ভুট্টা, মরিচ ও কলা ফসলের অর্জিত জমির পরিমাণ ছিল এক লাখ ১৫ হাজার ৯১৩ হেক্টর। এতে ৪৯৩ হেক্টর জমির ক্ষতি হয়ে বর্তমানে ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৪৩ হেক্টর ফসলি জমি রয়েছে।

এ ছাড়া শিলাবৃষ্টিতে জেলায় প্রায় ২০০টি টিনের ঘর সম্পূর্ণ ছিদ্র হয়ে গেছে। তবে জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর থেকে বাড়িঘড়ের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো জানানো হয়নি।