Published : 14 Aug 2026, 05:40 PM
শেরপুরে এক নারীসহ আটকের ঘটনায় পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে।
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এ ঘটনায় দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও অর্থ) মো. নূরুল হাফিজ।
কমিটি ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে শেরপুর পৌরসভার নবীনগর নয়াপাড়া এলাকায় পাসপোর্ট অফিসের তৃতীয় তলায় সহকারী পরিচালক রুস্তম আলীর বাসা থেকে তাকে ও এক নারীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
স্থানীয়রা ওই নারীকে রুস্তম আলীর বাসায় ঢুকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে হেফাজতে নেয়।
রুস্তম আলী দিনাজপুরের কসবা এলাকার জিন্নাত আলীর ছেলে। তিনি ১৯৯১ সালে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন।
শেরপুর সদর থানার ওসি মো. সোহেল রানা বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারীকে রুস্তম আলী তার আত্মীয় বলে পরিচয় দেন। পরদিন পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারীদের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ওসি বলেন, বিষয়টি ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়।
অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. নূরুল হাফিজ বলেন, রুস্তম আলীকে অফিসের কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
তবে রুস্তম আলী বলেন, স্থানীয় কিছু লোক তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন। ঘটনাটিকে ‘নারী কেলেঙ্কারি’ হিসেবে প্রচার করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে তার কাছে সব তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলেও জানান তিনি।