Published : 11 May 2026, 06:53 PM
নির্মাণ ব্যয় ও দুর্নীতি নিয়ে বিগত সরকারের সমালোচনা করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, মেগা প্রকল্পের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, “দেশ থেকে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে এবং ২০ লাখ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক ঋণের বোঝা রেখে গেছে। এসবের মধ্যেই বর্তমান সরকারকে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হচ্ছে।”
সোমবার দুপুরে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পদ্মা সেতু জাদুঘরের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ২০০২ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে পদ্মা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) করা হয়। সেই স্টাডির ভিত্তিতে এই মাওয়া এলাকায় অ্যালাইনমেন্ট নির্ধারণ করে খালেদা জিয়ার সরকার।
বিগত সরকারের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করে বলেন, “১৬টি মেগা প্রকল্পের অর্থ ব্যয় হলেও, কাজ হয়নি। ঠিকাদাররা টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছে। ওই কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। একই সঙ্গে ১৮ বছরের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে বিদেশি দাতা সংস্থাগুলো বড় প্রকল্পে সহযোগিতায় অনীহা দেখাচ্ছে।”
অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগের সচিব ও নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, স্থানীয় সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম, সেতু বিভাগের পরিচালক কাজী মো. ফেরদাউস ও ভিখারুদৌল্লা চৌধুরী, জেলা পরিষদের প্রশাসক সরদার একেএম নাসির উদ্দিন কালু, জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শেখ শরীফ-উজ-জামান।
পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজার পাশে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ একটি জাদুঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। চারতলা ভবনের এই জাদুঘর নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪০ কোটি টাকা।