ফরিদপুরে ইমামের বেতন নিয়ে সংঘর্ষের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে
এ ঘটনায় ঈদের দিন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
ফরিদপুর সদর উপজেলার একটি মসজিদের ইমামের বেতন-ভাতা বাড়ানো নিয়ে সংঘর্ষের মামলায় এক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন চাইলে বিচারক জিয়া হায়দার তা না দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবুল বাশার মোল্যা।
কারাগারে পাঠানো শাহ মো. আলতাফ হুসাইন (৫৩) উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি ভাটিকানাইপুর এলাকার বাসিন্দা।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, মামলায় উচ্চ আদালত থেকে আট সপ্তাহের জামিনে ছিলেন শাহ মো. আলতাফ হুসাইন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার তিনি আদালতে হাজির হয়ে আবার জামিন চান। আদালত জামিন না দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানায়, মধ্য কাশিমাবাদ গ্রামের জামে মসজিদের ইমামের বেতন-ভাতা বাড়ানো ও ঈদের নামাজের সময় ঠিক করা নিয়ে ঈদের দিন গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় ১৭টি বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে।
এর জেরে ২৬ জুন দুই পক্ষের মধ্যে আবারও সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় মধ্য কাশিমাবাদ গ্রামের বাসিন্দা আরিফ হোসেন কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।
মামলায় শাহ মো. আলতাফ হুসাইনকে এক নম্বর আসামি করা হয়। এ ছাড়া আরও ৪১ জনের নাম দেওয়া হয়েছে।
এসআই আবুল বাশার মোল্যা বলেন, আদালতের নির্দেশে শাহ মো. আলতাফ হুসাইনকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
