বগুড়ায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

হত্যার ষোলো বছর পর এ মামলার রায় আসে। রায় ঘোষণার সময় আসামি উজ্জ্বল প্রমাণিক পলাতক ছিলেন।

বগুড়া প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 24 July 2022, 04:22 PM
Updated : 24 July 2022, 04:22 PM

বগুড়ায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড হয়েছে।

ঘটনার ষোলো বছর পর রোববার বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক একেএম ফজলুল হক এই রায় দেন।

উজ্জ্বল বগুড়া সদরের কৈচর দক্ষিণ পাড়ার প্রয়াত আবুল হোসেনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় উজ্জ্ব প্রামানিক পলাতক ছিলেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) নরেশ চন্দ্র মুখার্জি মামলার বরাত দিয়ে জানান, ২০০৬ সালের জুনে উজ্জ্বলের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় উজ্জ্বলকে নগদ ৩০ হাজার টাকা যৌতুক হিসেবে দেন তার শ্বশুর।

কিন্তু বিয়ের এক মাস পর উজ্জল আরও ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে উজ্জ্বলের বাড়িতে দুই পক্ষের মধ্যে শালিস বৈঠকে বসেন। শালিসে কোনো সমাধান আসেনি।

এরপর ওই বছরের ১ অগাস্ট উজ্জ্বলের বড়িতে তার স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এরপর ১৮ অগাস্ট উজ্জ্বলের স্ত্রীর ভগ্নিপতি বগুড়া সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

পিপি বলেন, এ ঘটনাকে প্রথমে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করলেও শেষে প্রমাণ হয় যে ২০০৬ সালের ১ অগাস্ট যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা করেন উজ্জ্বল।

নরেশ চন্দ্র মুখার্জি আরও বলেন, মামলায় আরও চার আসামি ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক