১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

গোপালগঞ্জে ৮ আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ

“এরা দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিল না। তাদেরমতো সুবিধাভোগী আরও ২০০ নেতা পদত্যাগ করলেও আওয়ামী লীগের কোনো ক্ষতি হবে না।”

গোপালগঞ্জে ৮ আওয়ামী লীগ নেতার পদত্যাগ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে পদত্যাগকারী সবার পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ননীক্ষির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মনোজ মৌলিক।

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 Aug 2025, 12:43 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:37 PM

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেছেন ননীক্ষীর ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের আট নেতা।

বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলার ননীক্ষীর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের এ ঘোষণা দেন তারা। 

পদত্যাগকারীরা হলেন, ননীক্ষির ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মনোজ মৌলিক, কাজী মিজানুর রহমান, সহ-প্রচার সম্পাদক রাসেল শেখ, সদস্য স্বপন শেখ, একই ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নূর আলম মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুবল রায়, ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আক্কাচ চোকদার, ননীক্ষির ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জলিল কাজী।

সংবাদ সম্মেলনে সবার পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মনোজ মৌলিক।

স্বেচ্ছায় ও স্বজ্ঞানে পদত্যাগ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, “আজ থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের আর কোনো সম্পর্ক নেই, আর ভবিষ্যতেও থাকবে না। আমরা আমাদের পদত্যাগপত্র দ্রুত মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসে পাঠিয়ে দেব।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে জানাচ্ছি যে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের স্বার্থ রক্ষায় সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ থাকব। রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাব।”

এ বিষয়ে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হায়দার হোসেন বলেন, “পদত্যাগের নিয়ম হল ওয়ার্ড কমিটির নেতা ইউনিয়ন কমিটির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবে। আর ইউনিয়ন কমিটির নেতা উপজেরা কমিটির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবে। এখানে শুধু সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে পদত্যাগ হয় না। 

তিনি আরও বলেন, “যারা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন তারা আওয়ামী লীগের সময় সারের ডিলারসহ বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ সুবিধা নিয়েছেন। এরা দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিল না। তাদেরমতো সুবিধাভোগী আরও ২০০ নেতা পদত্যাগ করলেও আওয়ামী লীগের কোনো ক্ষতি হবে না।”