Published : 11 Sep 2026, 09:08 PM
পদ্মা ব্যারেজ হলে দক্ষিণ-পশ্চিম-উত্তরাঞ্চলের ২৪ জেলার মানুষ সুফল পাবেন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “এই অঞ্চলে বর্ষায় নদী ভাঙন ও বন্যায় মানুষের বিপুল ক্ষতি হয়। আবার শুষ্ক মৌসুমে নদীর নাব্যতা হারিয়ে লবণাক্ততা বেড়ে যায়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় উপকূল ভাগের জীববৈচিত্র্য।
“সবদিক বিবেচনায় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে অন্তত ২৪টি জেলার মানুষ উপকৃত হবেন। প্রকল্পের কাজ শেষ হতে সাত বছর লাগবে।”
শুক্রবার বিকাল ৫টায় কুষ্টিয়ায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পভূক্ত গড়াই অফটেক স্ট্রাকচার নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব বলেন তিনি। এ সময় মন্ত্রী পদ্মা থেকে গড়াই নদের উৎপত্তি স্থলে প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখেন।
পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, “সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের নেতৃত্বে একনেকে এই প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্রকল্পের প্রযুক্তিগত সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।”
এ সময় মন্ত্রীর সামনে প্রকল্পের খুঁটি নাটি বিষয় তুলে ধরেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তারা বলেন, গড়াই নদের উৎসমুখে অফটেক চ্যানেলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হবে। এতে সারা বছর এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে।
পাশাপাশি এই চ্যানেলের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি গড়াই নদে প্রবাহিত হবে। এ ছাড়া দৌলতপুরে পদ্মা নদী থেকে উৎপত্তি হওয়া হিসনা নদীও এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে পুনরুদ্ধার বাস্তবায়নের কাজ রয়েছে।
এ সময় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব এ কে এম শাহাবুদ্দিন এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।