Published : 25 Aug 2026, 04:01 PM
অনৈতিক সম্পর্ক ও অসদাচরণের দায়ে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক প্রধান শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে।
শাস্তিপ্রাপ্ত মো. আলী আসাদ মিয়া উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম সোমবার বলেন, “আমাদের কাছে বিভাগীয় কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি এসেছে। এরই মধ্যে আমরা চিঠিটি উপজেলা কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছি। ওই শিক্ষক বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন।”
বিভাগীয় তদন্ত শেষে রোববার সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে এ দণ্ড দেয় প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. আব্দুল আজিজ।
অভিযোগের নথি ও বিভাগীয় আদেশের বরাতে জেলার একজন প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, আলী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে আরেকজন প্রাথমিক শিক্ষক অভিযোগ করেছিলেন। তিনি প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তার স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক ও অসদাচরণের অভিযোগ করেছিলেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই শিক্ষক ও তার স্ত্রী মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষক আলী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগীয় মামলা হয়।
তদন্তের অংশ হিসেবে প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি লিখিত বক্তব্য দেন এবং ব্যক্তিগত শুনানিতেও অংশ নেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানান।
পরে প্রধান শিক্ষককে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি তারও জবাব দেন। কিন্তু তার দেওয়া জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি। এরপর সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়া বলেন, “আমি এ বিষয়ে অবগত নই। আমার কাছে কোনো চিঠি আসেনি।”