১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

চাটখিলে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় পিছিয়ে ২৪ জুন

২০২২ সালের ২৪ মার্চ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় মেয়েটি। পরে একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

চাটখিলে শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় পিছিয়ে ২৪ জুন
রায় ঘোষণার দিন নির্ধারিত থাকায় মামলার একমাত্র আসামি শাহাদাতকে জেলা কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

নোয়াখালী প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 May 2026, 02:43 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:18 PM

নোয়াখালীর চাটখিলে সেপটিক ট্যাংকে অর্ধগলিত লাশ পাওয়া পাঁচ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার মামলার রায়ের তারিখ পিছিয়ে ২৪ জুন নির্ধারণ করেছে আদালত।

রোববার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর অধীনে গঠিত বিশেষ শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তারের আদালতে এ মামলার রায় ঘোষণা করার কথা ছিল। 

তবে তা পরিবর্তন করে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান আসামি পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী শুক্লা সাহা।

তিনি বলেন, “আজ রোববার রায় ঘোষণার কথা ছিল। সে অনুযায়ী সকালে আসামিকে জেলা কারাগার থেকে আদালতে তোলা হয়। মামলার বাদীও উপস্থিত ছিলেন। 

“তবে বেলা ১২টার দিকে আদালতের পেশকারের মাধ্যমে রায় ঘোষণার পরবর্তী দিন জানিয়ে দেওয়া হয়।” 

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ চাটখিল উপজেলায় নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় পাঁচ বছর বয়সী মেয়েটি। এর আট দিন পর গ্রেপ্তার করা হয় একই বাড়ির বাবলু মিয়ার ছেলে শাহাদাতকে (২২)। পরে তার দেওয়া তথ্যে বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে শাহাদাত জানায়, ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয়ে তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন।

চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর চাটখিলজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে বিভিন্ন সময়ে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।