Published : 15 Sep 2026, 09:54 PM
গবেষণা, উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতায় সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’-এ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাটাগরিতে দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের কর্মকর্তা মো. রনি ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার নভোথিয়েটারে প্রথমবারের মতো এ মেলার আয়োজন করা হয়। ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত মেলায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করে।
মেলায় গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় তাদের উদ্ভাবিত ৯৭টি জাত ও ২০টির বেশি প্রযুক্তির মধ্য থেকে নির্বাচিত ১২টি জাত ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করে। এসব উদ্ভাবনের মধ্যে কৃষি, গবেষণা ও খাদ্য নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ছিল।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্ভাবনগুলোর বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব, বাস্তব প্রয়োগযোগ্যতা, সৃজনশীলতা ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বিবেচনা করে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়কে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়।
১৪ সেপ্টেম্বর মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবকেরা উপস্থিত ছিলেন।
এ অর্জনের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গবেষণাগার ও মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল এ স্বীকৃতি।
উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবনসমূহ বাংলাদেশের কৃষিখাতের আধুনিকায়ন, উন্নয়ন ও টেকসই অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং দেশের খাদ্য ও কৃষি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কার্যকর অবদান রাখবে। তাছাড়া গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উদ্ভাবন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ‘সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”
মেলায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এক হাজারের বেশি উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রদর্শন করে। বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবনকে শিল্প ও বাজারের সঙ্গে যুক্ত করা এবং গবেষণালব্ধ প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহার বাড়ানো ছিল এ মেলার অন্যতম লক্ষ্য।