১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেল কিনতে লাগবে ‘ফুয়েল কার্ড’

সোমবার ও মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে যানবাহনের জন্য ফুয়েল কার্ড বিতরণ করা হবে।

চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেল কিনতে লাগবে ‘ফুয়েল কার্ড’
চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলের মজুদ, পরিবহন, বিপণন ও ব্যবহার সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Mar 2026, 05:08 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:16 PM

চুয়াডাঙ্গা জেলায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন স্বাভাবিক রাখতে ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। 

রোববার বেলা ১টায় জ্বালানি তেলের মজুদ, পরিবহন, বিপণন ও ব্যবহার সংক্রান্ত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন। 

সভার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, সোমবার ও মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে যানবাহনের জন্য ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু হবে। কার্ড সংগ্রহ করতে হলে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুধুমাত্র ‘ফুয়েল কার্ডধারী’ যানবাহনেই জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী তেল প্রদান করা হবে। 

প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জেলার ২২টি পাম্পে একযোগে তেল বিক্রি চলবে।

তবে কৃষকদের জন্য এ নিয়ম শিথিল রাখা হয়েছে। কৃষিকাজে ব্যবহৃত ডিজেল আগের মতোই ২৪ ঘণ্টা বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

এছাড়া কোনো পাম্প কর্মচারী অনিয়ম বা অনৈতিক কাজে জড়িত থাকলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট পাম্প মালিকদের নিতে হবে বলেও সতর্ক করেন জেলা প্রশাসক।

অন্য জেলা থেকে আগতদের তেল সংগ্রহের প্রয়োজন হলে তাদের জেলা প্রশাসন কার্যালয় থেকে অনুমতি সংগ্রহ করতে হবে বলে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তারিকুজ্জামান জানান। 

সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বলেন, “সোমবার থেকে জেলায় রেজিস্ট্রেশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হেলমেটবিহীন মোটরযানের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালানো হবে। কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা কালোবাজারির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

এদিকে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, সীমান্ত এলাকায় তেল পাচার রোধে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এ বিষয়ে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বি এম তারিক উজ জামানসহ সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং পাম্প মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।