১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

খাল খননে অনিয়ম: ঝালকাঠিতে ঠিকাদারকে ‘শোকজ’

ঠিকাদারকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Mar 2026, 01:47 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:11 PM

ঝালকাঠিতে সাতটি খাল খননের কাজ নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন না করায় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। 

সোমবার আজমির বিল্ডার্স লি. কে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঝালকাঠি পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) টি.এম. রেজাউল হক রিজভী। 

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে ঠিকাদার সাতটি খালের মধ্যে ছয়টি খালের কাজ আংশিকভাবে শুরু করলেও কোনটিই সম্পূর্ণ খনন শেষে হ্যান্ডওভার বা কমপ্লিশন সার্টিফিকেট পৌরসভাকে প্রদান করেনি। বাকি ১টি খালের কাজই শুরু করেনি।

এ বিষয়ে বারবার তাগাদা দেওয়ার পরও ঠিকাদার ২টি খাল আংশিক খনন করেন। কিন্তু তা হস্তান্তর না করে অন্য খালগুলো খননে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেননি। খাল খনন সম্পূর্ণ না হওয়ায় পৌর এলাকার জলাবদ্ধতা ও ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ছে। 

ফলে স্থানীয় জনগণের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে এবং পৌরসভার ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে নোটিশে বলা হয়।  

নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, চুক্তিমূল্য ১ কোটি ৩৩ লাখ ১২ হাজার ৩৭৭ টাকা থেকে সম্পাদিত কাজের বিল হিসেবে ৫২ লাখ ৭১ হাজার ১১ টাকা ইতিমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। তবে ঠিকাদার কাজ শতভাগ সম্পন্ন না করে চূড়ান্ত বিলের আবেদন করেছেন এবং বিভিন্ন মহল থেকে চাপ ও হুমকিও দিয়েছেন।

এ বিষয়ে আজমির বিল্ডার্স লি.এর প্রোপাইটার মো. সরোয়ার হোসেন বলেন, “কাজের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ইতোমধ্যেই এক বছর এক মাস অতিবাহিত হয়েছে। এতদিন পর হঠাৎ একটি নোটিশ জারি করা যৌক্তিক মনে হয় না। আমরা সময়মতো কাজ সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং কাজও সম্পন্ন করেছি।”

ঝালকাঠি পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) টি.এম. রেজাউল হক রিজভী বলেন, “ঠিকাদারকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না দিলে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী তার জামানত বাজেয়াপ্ত এবং ঠিকাদারী লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হবে।”