০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

কক্সবাজারের আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুদ্দিন হত্যায় গ্রেপ্তার ১

মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে অভিযান চালিয়ে আশরাফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সদর থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান।

কক্সবাজারের আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুদ্দিন হত্যায় গ্রেপ্তার ১

গ্রেপ্তার আশরাফুল ইসলাম

কক্সবাজার প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 Aug 2023, 11:11 AM

Updated : 22 Aug 2023, 11:23 AM

কক্সবাজার শহরে পৌর আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুদ্দিন হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে অভিযান চালিয়ে আশরাফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সদর থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান।

আশরাফুল ইসলাম (১৮) কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাহাড়তলী ইসলামপুর এলাকার মোহাম্মদ হাশেমের ছেলে।

Image

সাইফুদ্দিন

হোটেলের ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা থেকে পাওয়া ভিডিওর সূত্র ধরে আশরাফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে ওসির ভাষ্য।

পুলিশ জানিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি বসানো হয়।

সেখানে টেকনাফমুখী একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ মাঝরাতে আশরাফুল ইসলাম গ্রেপ্তার করে।

সোমবার সকালে কক্সবাজার শহরের হলিডের মোড় সংলগ্ন আবাসিক হোটেল সানমুনের দ্বিতীয় তলার ২০৮ নম্বর কক্ষ থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

Image

মুখে মাস্ক ও সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে হোটেল প্রবেশ করছেন সাইফুদ্দিন।

নিহত সাইফুদ্দিন (৪৫) কক্সবাজার শহরের ঘোনার পাড়ার অবসরপ্রাপ্ত আনসার কমান্ডার আবুল বশরের ছেলে। তিনি কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন।

কক্সবাজার পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম বলেন, নিহতের শরীরে তিনটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ও জখম ছিল। প্যান্টের বেল্ট দিয়ে তার হাত বাঁধা ছিল।

সাইফুদ্দিনের লাশ উদ্ধারের পর হোটেলের সিসিটিভি ভিডিও দেখে হত্যায় জড়িতদের শনাক্তে মাঠে নামে পুলিশ।

হোটেল সানমুনের ম্যানেজার রেজাউল করিম বলেন, “রোববার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুদ্দিনসহ দুজন ২০৮ নম্বর কক্ষে ওঠেন। সোমবার সকালে তার সন্ধানে আসেন বন্ধুরা। বন্ধুদের সঙ্গে নিয়ে কক্ষের দরজায় ধাক্কা দিলে খুলে যায়। খাটে রক্তাক্ত সাইফুদ্দিনের মরদেহ দেখে থানায় খবর দেওয়া হয়।”

সাইফুদ্দিন মাঝেমধ্যে ওই হোটেলে কক্ষ ভাড়া নিয়ে অবস্থান করতেন বলে জানান হোটেল ম্যানেজার রেজাউল।

নিহতের ছোট ভাই মহিউদ্দিন বলেন, “রাতে ভাই বাড়িতে যাননি। ফোনও বন্ধ ছিল। ভাবি ভাইয়ের বন্ধুদের ফোন করে খোঁজ-খবর নেন। ভাইয়ের বন্ধু ইলিয়াস বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ-খবর নিতে নিতে সানমুনের কক্ষে গিয়ে মরদেহ পান।”

পুরানো খবর:

কক্সবাজারে হোটেল কক্ষে আওয়ামী লীগ নেতার হাত বাঁধা লাশ
কক্সবাজারে আওয়ামী লীগ নেতা খুন: সাদা পাঞ্জাবির যুবককে খুঁজছে পুলিশ