Published : 15 Oct 2025, 09:42 PM
টাঙ্গাইলে শিশু ছাত্রকে ধর্ষণের মামলায় এক মাদ্রাসা শিক্ষককে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. কামরুজ্জামান এ রায় দেন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি খন্দকার মো. রোকনুজ্জামান।
দণ্ডপ্রাপ্ত হাফিজুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বেলটিয়া গ্রামের ময়দান আলীর ছেলে। তিনি টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক ছিলেন।
রায় ঘোষণার সময় হাফিজুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
আইনজীবী রোকনুজ্জামান বলেন, হাফিজুল ইসলাম ২০১৯ সালের ২৩ মে থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির এক আবাসিক ছাত্রকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী শিশুটি মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাসায় গিয়ে বাবা-মাকে বিষয়টি জানায়।
পরে শিশুটির বাবা বাদি হয়ে ২০১৯ সালের ২০ অগাস্ট টাঙ্গাইল সদর থানায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলা পরেই হাফিজুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল এবং তাকে মাদ্রাসা থেকে বরখাস্ত করা হয়। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।
এদিকে সদর থানার এসআই মো. মনির আহমেদ মামলার তদন্ত শেষে সে বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর হাফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার বিচারচলাকালে আট জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি খন্দকার মো. রোকনুজ্জামান আরও বলেন, বুধবার মামলার রায়ে হাফিজুল ইসলামকে কারাদণ্ড ছাড়াও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশে দেওয়া হয়েছে।