১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ঠাকুরগাঁওয়ে ‘ফুয়েল কার্ড’ ছাড়া বাইকে তেল মিলবে না

৫ এপ্রিল থেকে মোটরসাইকেলের চালকরা এই কার্ড ছাড়া তেল নিতে পারবেন না বলে গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Mar 2026, 10:17 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:16 PM

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় ঠাকুরগাঁওয়ে মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল সরবরাহ, সুষ্ঠুভাবে বিতরণ ও জনদুর্ভোগ লাঘব করতে ‘ফুয়েল কার্ড’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। 

রোববার রাতে জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা বলেন, “‘ফুয়েল কার্ড’ ছাড়া কেউ জ্বালানি তেল কিনতে পারবেন না।” 

এদিন জেলা প্রশাসক স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “জেলার বৈধ মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ‘ফুয়েল কার্ড’ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ৪ এপ্রিলের মধ্যে ঠাকুরগাঁও জেলার সব বৈধ মোটরসাইকেলের চালককে ‘ফুয়েল কার্ড’ সংগ্রহ করতে হবে।”

এজন্য মূল জাতীয় পরিচয়পত্র, ড্রাইভিং লাইসেন্স, মোটরসাইকেলের রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও মোবাইল নম্বর আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। 

মোটরসাইকেল চালকদেরকে সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, পুলিশ স্টেশন ও পৌরসভা হতে ‘ফুয়েল কার্ড’ সংগ্রহ করার অনুরোধ করা হয় গণবিজ্ঞপ্তিতে। 

এতে বলা হয়, ঠাকুরগাঁও জেলায় যে সব ব্যক্তি চাকরি বা অন্যান্য সূত্রে অবস্থান করছেন, তাদেরকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে ‘ফুয়েল কার্ড’ সংগ্রহ করতে হবে। কার্ড দিয়ে উত্তোলন করা তেল হস্তান্তর করা যাবে না। 

জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা বলেন, ‘ফুয়েল কার্ড’ ছাড়া ৫ এপ্রিল থেকে মোটরসাইকেলের কোনো চালককে তেল সরবরাহ করা হবে না। কার্ডটি বিনামূল্যে প্রদান করা হবে। জ্বালানি তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা ও জনদুর্ভোগ লাঘবে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। 

জেলায় ৩৭টি পেট্রোল ও ডিজেল ফিলিং স্টেশন রয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ২৪টি, বালিয়াডাঙ্গীতে দুটি, হরিপুরে দুটি, রাণীশংকৈলে পাঁচটি এবং পীরগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে চারটি ফিলিং স্টেশন। 

এসব ফিলিং স্টেশনে প্রতিদিন পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের সম্মিলিত চাহিদা প্রায় আড়াই থেকে তিন লাখ লিটার।