১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

টাঙ্গাইলে নদীপাড়ে পাওয়া সেই মর্টার শেলগুলো নিষ্ক্রিয় করা হল নদীতেই

শেলগুলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের বলে পুলিশের ধারণা।

টাঙ্গাইলে নদীপাড়ে পাওয়া সেই মর্টার শেলগুলো নিষ্ক্রিয় করা হল নদীতেই
সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা ধরে যমুনা নদীতে সেনাবাহিনীর একটি দল শেলগুলো নিষ্ক্রিয় করে।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 12 Jun 2025, 07:53 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:11 PM

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ১১টি অবিস্ফোরিত মর্টার শেল উদ্ধারের পর সেগুলো যমুনা নদীতে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা ধরে উপজেলার পাশের নলিন এলাকার যমুনা নদীতে সেনাবাহিনীর  একটি দল শেলগুলো নিষ্ক্রিয় করে বলে ভূঞাপুর থানার ওসি একে এম রেজাউল করিম জানান।

এ সময় তিনিসহ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. তারিকুল ইসলাম ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সেখানে ছিলেন।

বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পাটিতাপাড়ার শাহাদত নামে এক ব্যক্তি যমুনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে মর্টার শেলগুলো দেখতে পান। হঠাৎ এসব বস্তু দেখে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বিষয়টি জানাজানি হলে আশপাশের লোকজন শেলগুলো এক নজর দেখতে সেখানে ভিড় জমান। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সেগুলো উদ্ধার করে সেনা ক্যাম্পে পাঠায়। 

মরিচা ধরা অবস্থায় শেলগুলো একত্রে পড়ে ছিল। কিছু শেলের ভেতরের অংশ ফাঁপা হয়ে আছে।

ধারণা করা হচ্ছে মর্টার শেলগুলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের।

এলাকাবাসী বলছেন, ১৯৭১ সালে পাটিতাপাড়া ও মাটিকাটা যমুনা নদীর তীরে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি যুদ্ধ জাহাজ ধ্বংস হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই জাহাজ থেকেই শেলগুলো নদীর তীরে চলে এসেছে।

স্থানীয় রুবেল সরকার, মনির মণ্ডল ও রফিকুল ইসলাম বলেন, তারা গ্রামের জ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদের কাছে শুনেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় এই এলাকায় একটি পাকিস্তানি যুদ্ধ জাহাজ ধ্বংস হয়েছিল। সেই স্মৃতিই যেন আবার ফিরে এসেছে এই শেল উদ্ধারের মাধ্যমে।

আরো পড়ুন:

যমুনা নদীর তীরে মিলল ১১ মর্টার শেল