Published : 11 Aug 2025, 07:33 PM
গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার মামলায় এক আসামি আদালতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
গাজীপুর মহানগর আদালতের পরিদর্শক আহসান উল্লাহ চৌধুরী সোমবার বিকালে বলেন, আসামি মো. শাহজালালকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর হাকিম আদালত-৩ এ হাজির করে জবানবন্দির আবেদন জানান।
পরে বিচারক মো. ওমর হায়দারের খাস কামরায় আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
শাহজালাল এই মামলার অন্য আরও ছয় আসামির সঙ্গে দুই দিনের রিমান্ডে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে আটটি মামলা আছে। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর ব্যস্ততম চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয় সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে (৩৮)। এ ঘটনায় মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
তুহিন দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার গাজীপুরের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থানার ভাটিপাড়া গ্রামের হাসান জামালের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলেকে নিয়ে গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
এ ঘটনায় নগরীর বাসন থানায় দুটি মামলা হয়েছে। একটি মামলার বাদী হয়েছেন তুহিনের বড় ভাই মো. সেলিম। অপর একটি মামলার বাদী, তুহিন হত্যার আগে সংগঠিত আরেকটি হামলার ঘটনায় আহত বাদশা মিয়ার ভাই। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের মরদেহের ময়নাতদন্ত গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে সম্পন্ন হয়েছে। পরে ময়মনসিংহে গ্রামের বাড়িতে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হচ্ছেন- ফয়সাল ওরফে কেটু মিজান (যাকে হত্যাকাণ্ডের হোতা বলছে পুলিশ), তার স্ত্রী গোলাপী, সুমন, আল আমিন, স্বাধীন, মো. শাহ জালাল (৩২), শহীদুল ইসলাম (৩০) এবং মো. ফয়সাল হাসান (২৩)।
আরও পড়ুন:
সাংবাদিক তুহিন হত্যা: ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে শরীরে ৯টি গভীর ক্ষত