Published : 01 Feb 2026, 07:18 PM
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
রোববার দুপুরে সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের রাজিবপুর গ্রামের ভোরের বাজারে এ ঘটনা ঘটে বলে কাজী মফিজুর রহমান নিজেই অভিযোগ করেছেন।
মফিজুরের অভিযোগ, এ ঘটনায় তার তিন সমর্থক আহত হয়েছেন এবং অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, মফিজুর রহমানের নির্বাচনি কার্যালয়ে একটি সভা চলছিল। এ সময় ধানের শীষ প্রতীকের ৮-১০ জন সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি রাজনৈতিক স্লোগান শুরু হয়।
এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটি থেকে উত্তেজনা হয় এবং তা সহিংসতায় রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া হয়। পরে বিদ্রোহী প্রার্থীর কার্যালয়ে চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।
মফিজুর রহমান বলেন, “সকালে উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়ন ২ নম্বর ওয়ার্ডের রাজিবপুর গ্রামে নির্বাচনি কার্যালয়ে একটি সভা করি। সভা শেষে আমি চলে যাওয়ার পর বারগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান দুলাল এবং বিএনপি নেতা কামাল উদ্দিন বাবুলের নির্দেশে যুবদলের নেতা ও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক মো. পলাশ, মহিউদ্দিন চৌধুরী, কানন, বাদশা, রকি, গিয়াস উদ্দিন, পিন্টু, বাদশার নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি দল আমার নির্বাচনি অফিসে হামলা-ভাঙচুর চালায়।”
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ধানের নোয়াখালী-২ আসনের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক দাবি করেন, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সোনাইমুড়ী থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, “দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে প্লাস্টিকের চেয়ার ভাঙচুর করা হয়।”