১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বাসে ডাকাতি ও নিপীড়ন: ‘মূল পরিকল্পনাকারী’ ও তার ভাই রিমান্ডে

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজশাহীগামী ‘ইউনিক রয়েল আমরি ট্রাভেলস’ বাসে ডাকাতি ও নারী যাত্রীদের ওপর যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Feb 2025, 11:57 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:54 AM

ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী ইউনিক রোড রয়েলসের বাসে ডাকাতি ও নারী যাত্রীদের ‘যৌন নিপীড়নের’ মামলায় গ্রেপ্তার দুই সহোদরকে রিমাণ্ডের অনুমতি দিয়েছে আদালত। 

এর মধ্যে মো. আলমগীর হোসেন শেখের (যাকে মূল পরিকল্পনাকারী বলছে পুলিশ) ছয় দিন ও তার ছোট ভাই রাজীব হোসেনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার বিকালে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মির্জাপুর আমলী আদালতের বিচারক মোছা. রুমি খাতুন এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান। 

এর আগে সোমবার রাতে নেত্রকোনার পূর্বধলার সাধুপাড়া গ্রাম থেকে আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে ও তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আশুলিয়া থানার ধানসোনা এলাকা থেকে রাজীব হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তারা মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানার আমতলী গ্রামের খোরশেদ শেখের ছেলে। তাদের হেফাজতে থাকা লুণ্ঠিত টাকা, মোবাইল সেট, গহনা, জাতীয় পরিচয়পত্র ও এটিএম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজশাহীগামী ‘ইউনিক রয়েল আমরি ট্রাভেলস’ বাসে ডাকাতি ও নারী যাত্রীদের ওপর যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে।

বাস যাত্রীদের ভাষ্য, রাত ১১টায় ঢাকার গাবতলী থেকে বাসটি ছাড়ে। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসটিতে ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের জিম্মি করে। প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা বাসটি বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে ডাকাতি ও দুই নারীর শ্লীলতাহানির করে ডাকাতদল।

পরদিন বেলা ১১টার পর বাসটি নাটোরের বড়াইগ্রাম থানায় নিয়ে পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন যাত্রীরা। এ সময় ডাকাতিতে জড়িত সন্দেহে বাসচালক বাবলু আলী, সুপারভাইজার সুমন ইসলাম ও চালকের সহকারী মাহবুব আলমকে আটক করে ৫৪ ধারায় নাটোর আদালতে পাঠায় পুলিশ। পরে তারা আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান।

ঘটনার তিন দিন পর ২১ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানায় ওমর আলী নামের এক যাত্রী মামলা করেন। এরপর তদন্তে নামে টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শহিদুল ইসলাম মুহিত, সবুজ এবং শরীফুজ্জামান শরীফকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য এবং  গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় আলমগীর হোসেন বাস ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী, তার সেকেন্ড ইন কমান্ড হল শহিদুল ইসলাম মুহিত।

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে মির্জাপুর থানার এএসআই আতিকুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

পুরানো খবর

চলন্ত বাসে ডাকাতি-যৌন নিপীড়নের ঘটনায় দুই সহোদর গ্রেপ্তার

বাসে ডাকাতি-নিপীড়ন: লুটের মোবাইল দিয়ে গাঁজা কিনেই ধরা

চলন্ত বাসে ডাকাতি-'যৌন নিপীড়ন': গ্রেপ্তার ২ যুবকের 'স্বীকারোক্তি'

চলন্ত বাসে ডাকাতি-যৌন নিপীড়নের ঘটনায় দুই সহোদর গ্রেপ্তার

বাসে ডাকাতি-নিপীড়ন: লুটের মোবাইল দিয়ে গাঁজা কিনেই ধরা

রাজশাহীগামী বাসে ডাকাতি-যৌন নিপীড়ন: সাভারে গ্রেপ্তার ৩