জুলাই গণঅভ্যুত্থান জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ: রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে বুধবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী কমিশনের উদ্যোগে স্মারক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
জাতিংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেছেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহি ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে ‘জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার ঐতিহাসিক বহিঃপ্রকাশ’ ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান।
বুধবার নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী কমিশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এক স্মারক সংবর্ধনায় রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এ কথা বলেন।
মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘যথাযোগ্য মর্যাদায়’ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপনে এই স্মারক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
জাতিসংঘের বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি ও কূটনীতিক এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, “একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এ গণঅভ্যুত্থান জাতির দৃঢ় অঙ্গীকার ও ঐক্যবদ্ধ সংকল্পের প্রতীক।”
বিএনপি সরকারের থ্রি-আর কৌশল-‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশনের’ এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত।
তিনি বলেন, সরকার দেশের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং দীর্ঘমেয়াদে ৮.৫% প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে 'থ্রি-আর' কৌশল গ্রহণ করেছে।
২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে একটি শক্তিশালী ও আধুনিক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার একটি ত্রি-স্তরীয় পরিকল্পনা এই কৌশল।
রাষ্ট্রদূত বলেন, “এই কৌশলের লক্ষ্য অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা পুনর্গঠন এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও সুসংহত করা।”
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।
