১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রে স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ: ফের দলীয় মনোনয়ন পেলেন আবুল খান

চূড়ান্ত নির্বাচনে বিজয়ী হলে আগামী পহেলা জানুয়ারি তিনি সপ্তম মেয়াদের জন্য শপথ নেবেন।

যুক্তরাষ্ট্রে স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ: ফের দলীয় মনোনয়ন পেলেন আবুল খান
আবুল বি খান।

বিডিনিউজ২৪

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 10 Sep 2026, 12:28 AM

Updated : 17 Sep 2026, 02:57 AM

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার স্টেট রিপ্রেজেনটেটিভ হিসেবে সপ্তম মেয়াদের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলেন বাংলাদেশি-আমেরিকান আবুল বি খান। 

মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত রিপাবলিকান পার্টির প্রাইমারি (প্রার্থী বাছাই) নির্বাচনে তিনি পুনরায় জয় পেয়েছেন। বোর্ড অব ইলেকশন সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

নিউ হ্যাম্পশায়ার স্টেটের রকিংহাম ডিস্ট্রিক্ট-৩০ থেকে লড়ছেন আবুল খান। তালিকাভুক্ত ভোটারের অধিকাংশই রিপাবলিকান হওয়ায় আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও তার জয় অনেকটাই নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। চূড়ান্ত নির্বাচনে বিজয়ী হলে আগামী পহেলা জানুয়ারি তিনি সপ্তম মেয়াদের জন্য শপথ নেবেন।

পিরোজপুরের সন্তান ও পেশায় আবাসন ব্যবসায়ী আবুল খান ২০১২ সালে প্রথমবারের মতো এ আসনে জয়ী হন। দু’বছর মেয়াদি এ পদে ২০১৪ সালে তিনি প্রার্থী না হলেও, ২০১৬ সাল থেকে প্রতিটি নির্বাচনেই তিনি টানা জয়ী হয়ে আসছেন।

একজন অভিবাসী হিসেবে এ ধারাবাহিক সাফল্যের কারণ হিসেবে তিনি জনসম্পৃক্ততাকে উল্লেখ করেন। আবুল খান বলেন, “আমার নির্বাচনি এলাকায় বাংলাদেশি ভোটার মাত্র জনা পাঁচেক। ভারতীয় ভোটারের সংখ্যা কিছুটা বেশি হলেও ফলাফল নির্ধারণে মূল ভূমিকা রাখেন শ্বেতাঙ্গরাই। তবুও সব ভোটার আমাকে তাদেরই একজন মনে করেন, কারণ আমি সবসময় তাদের পাশে থাকি।” 

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সিটি এবং স্টেট পার্লামেন্টে বর্তমানে অন্তত ৩১ জন বাংলাদেশি-আমেরিকান স্টেট সেনেটর, সিটি মেয়র ও কাউন্সিলম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে আবুল খানই একমাত্র রিপাবলিকান জনপ্রতিনিধি, বাকি সবাই ডেমোক্র্যাট।

একই দিনে অনুষ্ঠিত নিউ হ্যাম্পশায়ার স্টেটের মার্কিন সেনেট ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়নের নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি আরেক বাংলাদেশি-আমেরিকান কারিশমা মনজুর। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, কারিশমা মনজুর পেয়েছেন মোট গৃহীত ভোটের ৩২ শতাংশ। অন্যদিকে ৬৫ শতাংশ ভোট পেয়ে এই আসনে দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত করেছেন ক্রিস পাপাস।