২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

আমিরাতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত

নিহত দুজন হলেন মুহাম্মদ মনসুর (৩২) ও মো. আব্দুল আলিম (৪১)।

আমিরাতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত
মুহাম্মদ মনসুর (৩২) ও মো. আব্দুল আলিম (৪১)।

বিডিনিউজ২৪

জাহাঙ্গীর কবীর বাপ্পী, সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Jul 2025, 02:42 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:19 PM

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল আইনে দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও আটজন।

নিহত দুজন হলেন চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গশ্চি গ্রামের মুহাম্মদ মনসুর (৩২) ও মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সাতগাঁও ইউনিয়নের মো. আব্দুল আলিম (৪১)।

প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার রাতে, আল হায়ার ব্রিজের কাছে। মুহাম্মদ মনসুরসহ আটজন বাংলাদেশি জেবল আলীর একটি নির্মাণ সাইট থেকে গাড়িতে করে আল আইন ফিরছিলেন। 

প্রবাসীরা জানান, হাইওয়ে দিয়ে চলার সময় আল হায়ার ব্রিজের কাছে অন্য একটি গাড়ি তাদের গাড়িকে ওভারটেক করে হঠাৎ গতি কমিয়ে দিলে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। গাড়িটি ব্যারিয়ারে ধাক্কা খেয়ে উল্টে পড়ে।

আহতদের মধ্যে মনসুরের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় তাকে হেলিকপ্টারে করে আল আইন জিমি হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। আহত অন্যদের মধ্যে একজনের অবস্থা ‘গুরুতর’; তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।

নিহত মনসুর পেশায় ছিলেন একজন রঙমিস্ত্রী। তিনি পাঁচ বছর ধরে প্রবাসে ছিলেন এবং আগামী মাসে দেশে ফেরার কথা ছিল। তার লাশ বর্তমানে আল আইন জিমি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে। 

দুর্ঘটনার পর অভিযুক্ত চালককে আটক এবং তার গাড়ি জব্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

একই দিন রাতে আল আইন শহর থেকে ২৬ কিলোমিটার দূরে শেখ সাবরা এলাকায় ঘটে দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি। 

প্রবাসী মো. আব্দুল আলিম (৪১) স্থানীয় একটি উট খামারে পাচকের কাজ করতেন। ওই রাতে খামারসংলগ্ন কাঁচা রাস্তায় হাঁটার সময় পেছন থেকে একটি গাড়ির ধাক্কায় নিহত হন তিনি।

গাড়িটি তার দেহসহ প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে গিয়ে থামে এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, গাড়িটি চালাচ্ছিলেন একজন ওমানি নাগরিক। তাকে আটক করা হয়েছে এবং গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে।

বাংলাদেশে আব্দুল আলিমের স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে আছেন। তার লাশও আল আইন জিমি হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।

পুলিশি তদন্ত শেষে লাশ দুইটি দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানা গেছে।