Published : 31 Oct 2023, 07:23 PM
সরকার পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীতে মিছিল করেছে গণতন্ত্র মঞ্চসহ সমমনা জোটগুলো।
বিএনপি-জামায়াতের ডাকা তিনদিনের অবরোধের প্রথম দিন মঙ্গলবার সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে আলাদা আলাদাভাবে তারা মিছিল এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে সরকারের পদত্যাগের দাবি তোলে।
সকাল সাড়ে সকাল ১০টায় গণতন্ত্র মঞ্চ মেহরবা প্লাজা থেকে পুরানা পল্টন কালর্ভাট রোড হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাব সড়কে, ১২ দলীয় জোট জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে, গণফোরাম-পিপলস পার্টি নটর ডেম কলেজের সামনের সড়কে, বাংলা মোটরে গণঅধিকার পরিষদ ও এলডিপি ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়কের যাত্রাবাড়ীর কাজলা ব্রিজের কাছে মিছিল করেছে।
এছাড়া জামায়াতে ইসলামীও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল করেছে।
গণতন্ত্র মঞ্চের মিছিলে নেতৃত্বে ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, জেএসডির শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, ভাসানী অনুসারী পরিষদের শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খান প্রমুখ।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, “মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করে জনগণের ক্ষোভকে সরকার দাবিয়ে রাখতে পারবে না। অবরোধ কর্মসূচিতে শত বাধা-বিপত্তির বেড়াজাল ডিঙ্গিয়ে জনগণ রাস্তায় নেমেছে। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির পর এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই সরকারের বিদায় করা হবে।”
জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাছে ১২ দলীয় জোটের ১২ দলীয় জোটের মিছিলে ছিলেন কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, বিএলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, মুসলিম লীগের শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, জাগপার রাশেদ প্রধান প্রমুখ। তারা সরকার বিরোধী নানা শ্লোগান দেন।
বাংলা মোটর থেকে মগবাজার পর্যন্ত মিছিল করে গণঅধিকার পরিষদ। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন নুরুল হক নূর, রাশেদ খান।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বলেন, “বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি থেকে জনদৃষ্টি সরাতে সরকার পরিকল্পিতভাবে বাসে-অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়ে বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপানোর অপচেষ্টা করছে। এতে কোনো লাভ হবে না। জনগণ এখন সামাজিক মাধ্যমে সব সত্য দ্রুতই জেনে যাচ্ছে।”
যাত্রাবাড়ীর কাজলা ব্রিজের কাছে এলডিপির মিছিল বের হয় দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য আওরঙ্গজেব বেলালের নেতৃত্বে।