১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪ কার্তিক ১৪৩৩

‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধনে বিরোধী দল কোথায়? প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

“সত্যিকারভাবে যদি আপনারা জুলাইকে ধারণ করেন, আপনারা তো এসে বসতে পারতেন। কোথায়? আমরা তো আজকে আপনাদের দেখছি না।”

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 19 Oct 2026, 04:46 PM

Updated : 19 Oct 2026, 04:46 PM

বিরোধী দলের ‘বিরোধিতার রাজনীতির কারণে’ স্বৈরাচারের আসার পথ উন্মুক্ত হলে পরিণাম ভালো হবে না বলে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিরোধী দলের অনুপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তার কথায়, যাদের জীবন উৎসর্গের কারণে তারা জাতীয় সংসদে স্থান পেয়েছে তারা আদৌ জুলাই চেতনা ধারণ করেন কি না, সে সংশয় তিনি প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, “আমরা খেয়াল করছি, দেশের দেশের মানুষ দেখছে যে, বিরোধী দল বিরোধিতা করার জন্য বিরোধিতা করে যাচ্ছে। ঠিক আছে বিরোধিতা আপনারা করেন।

“আজকে বিরোধিতা করতে গিয়ে আপনারা যদি স্বৈরাচারকে আসার পথ উন্মুক্ত করে দেন তাহলে অবশ্যই সেটি দেশের জন্য কোন ভালো পরিণাম বয়ে আনবে না। সেটি যেমন জুলাইয়ের শহীদদের সাথে গাদ্দারি করা হবে, একইভাবে একাত্তরের এর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথেও একইভাবে গাদ্দারি করা হবে।”

রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করে কথা বলছিলেন তারেক রহমান।

এয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জনগণের ম্যান্ডেটের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে বাংলাদেশের জনগণ যেভাবে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত করেছেন ঠিক একইভাবে অন্য যে রাজনৈতিক দলগুলো যাদের সাথে বিএনপি নির্বাচন করেছে সেই দলগুলোকে বাংলাদেশের জনগণ বিরোধী দলের দায়িত্ব অর্পণ করেছে।

“অর্থাৎ সংসদের সরকারি দল বা বিরোধী দলের অর্থ হচ্ছে যে সেখানে জনগণের স্বার্থ দেশের স্বার্থ নিয়ে আলোচনা হবে, আলোচনার পরে সিদ্ধান্ত হবে। সিদ্ধান্তের পরে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে। ”

তার কথায়, “পরিষ্কারভাবে যদি আমরা বলি, আমরা দেখতে পাই, সেটি হচ্ছে যে, বিরোধী দল বিরোধিতা করার জন্যই শুধু বিরোধিতা করছে, আপাতত উদ্দেশ্যে আমাদের কাছে এটি মনে হচ্ছে। এখন বিরোধিতা করার জন্যই যদি বিরোধিতা হয় আমরা যদি সেই পুরনো কালচারে থেকে যাই তাহলে আমরা দেশকে সামনে কি করে এগিয়ে নিয়ে যাব?

বিরোধী দলের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল অবশ্যই বিরোধিতা করবে। কিন্তু সেটি অবশ্যই গঠন মূলক বিরোধিতা হতে হবে।

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণে ওসমানী উদ্যানে নির্মাণ করা হয়েছে ৯০ ফুট উঁচু এই ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’।

প্রায় এক একর জায়গাজুড়ে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভটির গায়ে লেজার কাটিংয়ের মাধ্যমে খোদাই করা হয়েছে ৮৩৪ জন শহীদের নাম। এর সামনে স্থাপন করা হয়েছে ২০টি প্রতীকী সমাধিফলক।

স্মৃতিস্তম্ভের বাইরের দিকে রয়েছে ১৬৩ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে চার ফুট উঁচু একটি রিলিফ ভাস্কর্য। ভেতরে রয়েছে ১৭১ ফুট দীর্ঘ ও সাড়ে সাত ফুট উঁচু আরেকটি রিলিফ ভাস্কর্য।

উদ্বোধনের পর স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি আধুনিকায়ন করা উদ্যান ঘুরে দেখেন এবং সেখানে স্থাপিত গ্রন্থাগার পরিদর্শন করেন।

‘বিরোধী দলের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন ‘

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছি জুলাইতে যারা শহীদ হয়েছেন সেই শহীদদের ঘিরে। হ্যাঁ সরকার একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে শহীদের জন্য নিয়ে। আজকে এই অনুষ্ঠানটি জুলাই আত্মদানকারী মানুষদেরকে নিয়ে। সরকারের পক্ষ থেকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি যারা তাদেরকে যেমন দাওয়াত দেওয়া হয়েছে ঠিক একইভাবে সরকারের পক্ষ থেকে বিরোধী দলের নেতাসহ দলের যারা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তাদেরকেও দাওয়াত দেওয়া হয়েছে।

“আমি যদি আজকে প্রশ্ন করি আপনারা (বিরোধী দল) ঠিক আছে আজকে দাওয়াতে আসলেন না। কিন্তু আপনারা যদি সরকারের এই মঞ্চে বসার দরকার ছিল না। কিন্তু সত্যিকারভাবে যদি আপনারা জুলাইকে ধারণ করেন, আপনারা তো এসে বসতে পারতেন। কোথায়? আমরা তো আজকে আপনাদের দেখছি না।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই মঞ্চে বসার দরকার নেই. ঠিক আছে। সরকারের সাথে আপনাদের দূরত্ব আছে, যদি দূরত্ব আপনারা রাখতে চান তাতে কোন সমস্যা নাই। আজকে যেই মানুষগুলোর জন্য আজকে আপনারা বিরোধী দলের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন, যেই মানুষগুলো জীবন উৎসর্গের কারণে, যে মানুষগুলো আহত হওয়ার কারণে, যে মানুষগুলো চোখ হারানোর কারণে আজ আপনারা বিরোধী দলের নেতা হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত লাভ করেছেন, বিরোধী দলের সংসদ সদস্য হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত লাভ করেছেন সেই মানুষগুলোর মাঝে তো আমরা আপনাদেরকে দেখতে পাচ্ছি না।”

 ‘দোষারোপের রাজনীতি বাদ দিতে হবে’

দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য সরকার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

“জনগণের ভোট নিয়ে যেমন আপনারা বিরোধী দলে বসেছেন জনগণের সমর্থন নিয়ে আজ আমরা সরকার পরিচালনার দায়িত্বে আছি। বিরোধী দল মানেই জনগণের প্রতিনিধিত্ব আর সরকারি দল মানে জনগণের প্রতিনিধিত্ব নয়, সরকারি দল মানেই মনে করা হবে যে তারা মানুষের স্বার্থ দেখছে না, এটি বোধহয় দোষারোপ করা বা এই যে ব্লেমিং এর যে রাজনীতি এ থেকে বোধহয় আমাদের এখন বের হয়ে আসা উচিত।

“বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা এই দেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ দলের নেত্রী দেশনেত্রী মরহুম খালেদা জিয়া এই দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন আবার শুরু করেছিল। কাজেই যেখানেই গণতন্ত্র সেখানেই বিএনপি আছে, যেখানেই বিএনপি আছে সেখানেই গণতন্ত্র আছে।”

‘সংসদেই সব কিছুর সমাধান’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করেন যে, হ্যাঁ আমরা সব ব্যাপারে হয়তো একমত হতে পারব। এটি স্বাভাবিক। গণতন্ত্রের জন্য কিন্তু দেশের স্বার্থে, দেশের মানুষের স্বার্থে, দেশের মানুষের নিরাপত্তা, রাষ্ট্রের স্বাধীনতার স্বার্থে, রাষ্ট্রের চিকিৎসা ব্যবস্থা, দেশের ভবিষ্যৎ সন্তানদের শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে এইসব বিষয়ে নিশ্চয়ই দ্বিমত পোষণ করার কোন কারণ নাই।

তিনি বলেন, “এই বিষয়গুলোতে নিশ্চয়ই আমরা একমত হতেই পারি। আপনাদের (বিরোধী দল) বক্তব্য থাকতেই পারে, সংবিধানের বিভিন্ন সংশোধন সংস্কার এ সকল বিষয়ে আপনাদের বক্তব্য থাকতেই পারে। এই সকল বিষয় ফায়সালা করার জন্যই জনগণ আপনাদেরকে এবং আমাদেরকে সংসদে পাঠিয়েছে। জনগণ এজন্যই আমাদেরকে সংসদে পাঠিয়েছে যে সংসদে বসে আমরা আলাপ আলোচনা করব, যুক্তি তর্ক উপস্থাপন করব এবং সেখানে বসে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। যাতে বাইরে জনগণ প্রতিদিনকার আমাদের যে জীবনযুদ্ধ সে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারে।”

‘জনগণ স্থিতিশীলতা চায়’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা জনগণের ব্যবসা বাণিজ্য, চাকরি, শিক্ষা ,স্বাস্থ্য এই সকল বিষয়ে যাতে আমরা সড়ক অবরোধ করে বা বিভিন্ন রকম বিক্ষোপ কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে যাতে জনগণের জীবনযাত্রা আমরা ব্যাহত না করি, এটি হচ্ছে জনগণের চাওয়া।”

তিনি বলেন, “জনগণ বর্তমানে চায় স্থিতিশীলতা, জনগণ চায় শান্তি, জনগণ চায় দেশ এগিয়ে যাক। জনগণ চায় তাদের অবস্থার পরিবর্তন ঘটুক। জনগণ যেভাবে গণতান্ত্রিক চর্চা করতে চায়, নিজেদের স্বাধীনতা প্র্যাকটিস করতে চায়, জনগণ ভোটের অধিকার যেভাবে প্র্যাকটিস করতে চায়,  একইভাবে জনগন চায় যে আগামী দিনগুলো জনগণের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব যাতে ধীরে ধীরে সুদৃঢ় হয়ে গড়ে উঠুক।”

এডিস মশা কিন্তু সরকার ও বিরোধী দল চিনে না’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন পত্রপত্রিকা খুললেই আমরা এখন একটি দেখছি, ডেঙ্গুর বিষয়টি। ডেঙ্গুতে বহু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে এবং একই সাথে নিশ্চয়ই আপনারা খেয়াল করেছেন গত প্রায় দেড় মাস ধরে সরকারের পক্ষ থেকে আমরা কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। এতে বিভিন্ন মানুষ, সেটি  বিএনসিসি হোক, সেটি স্কাউট হোক, সেটি আমাদের স্কুল কলেজের সন্তানরা হোক, সেটি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হোক,  সেটি আমাদের সমগ্র বাংলাদেশের পরিচ্ছন্নতা কর্মী হোক আমরা বহু মানুষকে সাথে নিয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালু রেখেছি।

“যাতে করে  ডেঙ্গুকে আমরা প্রতিরোধ করতে পারি অথবা ডেঙ্গুর প্রকোপ আমরা কমিয়ে আনতে পারি। যাতে করে যদি কেউ অসুস্থ হয় সেই অসুস্থ পরিমাণ মানুষের সংখ্যাও যাতে কম হয় সেটির চেষ্টাই আমরা করছি।”

বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি শুধু বিরোধী দলের উদ্দেশ্যে বলব, বিরোধীদলের সংসদ সদস্যবৃন্দ এডিস মশা কিন্তু সরকারি দলও চিনে না বিরোধী দলেও চিনে না নিরপেক্ষ মানুষও চিনে না। কাজেই আসুন আমরা সরকার গঠন করার পরে প্রথম প্রথম কয়েকদিন দেখলাম ফজরের নামাজের পরে কারা জানি গিয়ে ঝাড়ু-টাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করছে।

“এখন আর আমরা সেটি দেখতে পাই না। আসুন আমরা সকলে নিজেকে ডেঙ্গু নির্মূলে নিয়োজিত করি দেশের স্বার্থে, দেশের মানুষের স্বার্থে আমরা সকলকে আমাদেরকে নিয়োজিত করি।”

‘ওসমানি উদ্যানকে পরিস্কার রাখুন’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ওসমানী উদ্যানের যে কমপ্লেক্সটি, এটি আধুনিকায়ন। বহু বছর যাবৎ এটি বন্ধ হয়ে পড়েছিল বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করার পরে এটিকে সুন্দরভাবে সংস্কার করে স্মৃতিস্তম্ভ  সম্পূর্ণভাবে তৈরি করে আজকে আমরা আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে উদ্বোধন করছি। ওসমানি উদ্যানে নিশ্চয়ই আপনারা দেখেছেন যে স্থাপত্য তৈরি করতে গিয়ে খুব সম্ভবত অনেকগুলো পুরনো বড় বড় বৃক্ষকে কেটে ফেলা হয়েছে।”

“যারা এই স্থাপত্য শিল্পের সাথে সম্পর্কিত আছেন, ভবিষ্যতেও বিভিন্ন স্থাপত্য গড়ে তুলবেন তাদের কাছে আমার আহ্বান থাকবে যে আসুন আমরা চেষ্টা করি যতটুকু কম গাছ বা প্রকৃতিকে আঘাত না করে যাতে করা যায়। অবশ্যই স্থাপত্য শিল্প বানাতে হবে মানুষের প্রয়োজনে দেশের প্রয়োজনে আমাদেরকে এগুলো তৈরি করতে হবে। কিন্তু তারপরেও প্রকৃতিকে আমরা যতটুকু প্রটেক্টেড রাখতে পারি সেটি দিন শেষে আমাদের উপকারে আসবে। ওসমানি উদ্যানকে পরিস্কার রাখুন, ময়লা-আবর্জনা যাতে না ফেলে সেদিকে সকলে নজর রাখুন।”

সুন্দর পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, স্থানীয় সরকার সচিব শহীদুল আলম বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধের বাবা মীর মুস্তাফিজুর রহমান, শহীদ শাহরিয়ার খান আনাসের মা সানজিদা খান দীপ্তি বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, রেল প্রতি মন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিবসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্যগণ, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের পরিবারের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

পুরনো খবর:

দুয়ার খুলল ওসমানী উদ্যান, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী