২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারতের ভয়ে জুলাই জাদুঘরে সীমান্ত হত্যা, মোদীবিরোধী ছবি সরিয়েছে সরকার: নাহিদ

জাদুঘরে বিএনপির ওপর নির্যাতনের কনটেন্ট বৃদ্ধি ও দলীয় বক্তব্য, বয়ান বেড়েছে বলেও অভিযোগ করেন এনসিপি আহ্বায়ক।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Aug 2026, 08:22 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:31 PM

ভারতের ভয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরর থেকে ‘ভারতীয় আগ্রাসনবিরোধী’ কিছু নিদর্শন সরকার সরিয়ে ফেলেছে বলে দাবি করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। 

শনিবার এনসিপির একটি প্রতিনিধি দলকে নিয়ে জাদুঘর পরিদর্শনে গিয়ে এমন অভিযোগে তোলেন সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ। 

তিনি বলেন, “কিছু পরিবর্তন আমরা দেখতে পেয়েছি যে সরকার এসে পরিবর্তন করেছে। বিশেষত এখানে সীমান্ত হত্যার একটা সেগমেন্ট ছিল৷ আমাদের সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের হাতে হত্যাকাণ্ডের শিকার ভাইবোনদের একটা তালিকা ছিল, ফেলানীর একটা ভাস্কর্য ছিল৷ সেই জিনিসগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। মোদিবিরোধী আন্দোলনের কিছু স্মৃতি ও ছবি ছিল, সেটাও সরিয়ে ফেলা হয়েছে।” 

কী কারণে এসব স্মৃতি রাখা হয়নি বলে আপনি মনে করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ বলেন, “বিএনপি হয়ত ভারতকে ভয় পাচ্ছে৷ যদি ভয় না পেত, তাহলে যেটা ইতিহাসের অংশ, সেটা কেনো থাকবে না?”

নাহিদের অভিযোগ, জাদুঘরের নিদর্শনগুলোতে গত ১৬ বছরের যে বিষয়গুলো দেখানো হয়েছে, সেখানে বিএনপি যে নির্যাতিত হয়েছে, তারা দল হিসেবে সেগুলার কন্টেন্টগুলো বাড়িয়েছে। দলীয় বক্তব্য ও বয়ান বেড়েছে। 

“আমরা জাদুঘরের যারা দায়িত্বে আছেন, তাদেরকে বলেছি আমাদের পর্যবেক্ষণগুলো। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের যে সেগমেন্টগুলো রাখা হয়েছে, সেগুলোকে আরো বাড়ানো উচিত। টাইমলাইন ধরে ধরে বয়ানটা আসা উচিত। বিশেষত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ভূমিকাগুলো আলাদাভাবে আসা উচিত। 

“সেগুলো আলাদাভাবে এখানে আসেনি। ঢাকার বাইরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন জেলায়ও যে আন্দোলন হয়েছে, সেখানেও একই পরিমাণ নির্যাতন-নির্মমতা ও প্রতিরোধের গল্প আছে। সেই বিষয়গুলো আসেনি। পরিচিত মুখগুলো এখানে বারবার এসেছে।”

জাদুঘর পরিদর্শনে নাহিদ ইসলামের সঙ্গে ছিলেন দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, দলীয় এমপি আবদুল্লাহ আল আমিন, নুসরাত তাবাসসুম, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, মাহিন সরকার, জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারসহ অন্যান্য নেতারা।