Published : 17 Aug 2026, 11:19 PM
চব্বিশের আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে দিল্লিতে নির্বাসনে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে কী ‘স্ট্যাটাসে’ আছেন কিংবা ‘রাজনৈতিক আশ্রয়ে’ রয়েছেন কি না- তা জানা না থাকার কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম।
বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ফেরাতে ভারতের আদালতের অনুমতি বিষয়ক এক প্রশ্নে সোমবার তিনি এ কথা বলেন।
তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে ভারতীয় আদালতের অনুমতি লাগবে বলে যে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, সে বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি আমিনুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস কী অর্থে লিখেছেন, কী লিখেছে–এ বিষয়ে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না।”
ট্রাইব্যুনালে নিয়মিত বিফ্রিংয়ে এদিন প্রধান কৌঁসুলি বলেন, “উনি কোন অনুমতির (ভিত্তিতে), উনি কি রাজনৈতিক আশ্রয়ে ওখানে রয়েছেন? শেখ হাসিনা কী স্ট্যাটাসে ওখানে আছেন, এটা কিন্তু আমরা সুস্পষ্টভাবে এখন পর্যন্ত জানি না।”
শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে সরকারের তরফে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আইনি লড়াই করে আনার জন্যইতো ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকার ভারত সরকারের কাছে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ আবেদন করেছে। যে আবেদনটা করেছে সেটা একটি আইনি প্রক্রিয়া। সেই আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই তাকে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে।”
আগের দিন রোববারও ভারতের আদালতের অনুমতি নেওয়ার বিষয়ে একই কথা বলেন তিনি। বলেন, “সেখানকার ভারতীয় কর্মকর্তারা তারা কী পদক্ষেপ নেবে, কী প্রক্রিয়ায় নেবে, তারা আদালতের অনুমোদন নেবে না, সরকারের অনুমোদন দিয়ে পাঠাবে–এটা তাদের ব্যাপার।”
সাকে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে একাধিক মামলা বিচারাধীন থাকা ও একটিতে দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার কথা তুলে ধরে ট্রাইব্যুনালের প্রধান কৌঁসুলি বলেন, “তিনি নিজেও বলেছেন ডিসেম্বরে আসবেন। আমরা মনে করি যে তাকে এর আগেই পাঠানো উচিত ভারত সরকারের।”