১৫ অগাস্টে ‘নাশকতার পরিকল্পনা’: গ্রেপ্তার হওয়া বাকি ২২ জনও রিমান্ডে
এ নিয়ে তিন দফায় আওয়ামী লীগ ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের ৫২ নেতাকর্মীকে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিল আদালত।
ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের গ্রেপ্তার হওয়া নেতাকর্মীদের মধ্য থেকে আরও ২২ জনকে রিমান্ডে দিয়েছে আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান রিমান্ডের আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই কামাল হোসেন এতথ্য নিশ্চিত করেন।
এ নিয়ে তিন দফায় ৫২ জনকে রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিল আদালত।
সবশেষ রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন— মো. তারেক, শাহিন, তারেক, ফয়সাল, মামুন মিয়া, মুন্না, তামজিদ মিয়া নয়ন, ইয়াছিন, জামিল, রাকিবুল হাসান রাতুল, ফয়সাল, সিয়াম, শরিফ, সাদিকুর রহমান পায়েল, শাহিন আলম, আব্দুল আলী বাবু, অনিক, তারিকুল ইসলাম, আ. রহমান, ইয়ামিন মিয়া, আতিক ও আশিক।
গত ১৩ অগাস্ট রাতে ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা একটি বাসা থেকে এই ২২ জনসহ ৫৪ জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানায় পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন বয়সে কিশোর।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ১৫ অগাস্ট ঘিরে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন।
গ্রেপ্তরের পরের দিন সবাইকে আদালতে তুলে ৫২ জনকে কারাগারে ও দুজনকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আবেদন করা হয়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে গেল ১৯ অগাস্ট ১৫ জনকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। তারা হলেন— মোতালিব, মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান ও শাহিন হোসেন ইমন।
এরপর গত ২৩ অগাস্ট তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় আরও ১৫ জনকে। তারা হলেন— লিমন খান, দেওয়ান ইসমাইল, ফাহিম মিয়া, রতন, রাকিব ওরফে রাফি, রাতুল শীল, মিনারুল মিয়া, মাসুদ রানা ওরফে লিমু, জিহাদ হাসান, আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু, ফাহিম, শাকিল মিয়া, রাজিব, সানি ও রাজন মিয়া।
সবশেষ ২২ জনকে ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয় গত ১৫ অগাস্ট। আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানির দিন রাখেন মঙ্গলবার।
আরও পড়ুন
