১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কর্মীদের ‘সর্বাত্মক প্রস্তুতি’ নেওয়ার আহ্বানে খুলনার পথে বিএনপির রোড মার্চ

পথে হবে ছয় থেকে সাতটি পথসভা।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Jan 2024, 10:55 AM

Updated : 14 Jan 2024, 10:55 AM

সরকার হটানোর এক দফা দাবি আদায়ে নেতাকর্মীদের ‘সর্বাত্মক প্রস্তুতি’ নেওয়ার বার্তা দিয়ে ঝিনাইদহ থেকে খুলনার পথে রওনা হয়েছে বিএনপির রোড মার্চ।

মঙ্গলবার বেলা ১২টায় ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল থেকে শুরু হওয়া এই রোড মার্চ একশ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়ে মাগুরা, যশোর হয়ে খুলনার শিববাড়ি মোড়ে পৌঁছাবে। পথে হবে ৬-৭টি পথসভা।

রোড মার্চ শুরুর আগে ঝিনাইদহ বাস টার্মিনাল প্রাঙ্গণে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, “দেশকে আজ হীরক রাজার দেশের পরিণত করছে। কিন্তু ভাই, একটা কথা আছে, হীরক রাজার সর্বশেষ পরিণতিটা কী?

“দড়ি ধরে মরো টান, রাজা হবে খান খান। এই দড়ি ধরে টান মারার সময় এসে গেছে। আপনারা ঐক্যবদ্ধ হোন, সংগঠিত হোন। ইনশাল্লাহ আমরা দড়ি ধরে টান মারব। এই হীরক রাজা আর থাকবে না।”

দেশের অর্থনীতিকে ‘দেউলিয়া’ করে দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে মির্জা আব্বাস বলেন, “একদিকে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ খেলাপী ও অর্থ পাচার করে দেশকে দেউলিয়া বানিয়ে ফেলেছে এই সরকার। অন্যদিকে আমরা যারা প্রতিবাদ করি, আমরা যারা প্রতিবাদী, আমাদেরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে।… একটা স্বাধীন দেশ… এই অবস্থা আর চলতে পারে না।”

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি এ সমাবেশেও তুলে ধরেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই নেতা।

বিভিন্ন রঙের টি শার্ট ও ক্যাপ পরে নেতাকর্মীরা শতাধিক পিকাপ, মিনি ট্রাক, মাইক্রোবাস, মিনিবাস ও মোটরসাইকেলে চড়ে এই রোড মার্চে অংশ নিচ্ছেন। যাত্রা পথে নানা স্লোগান দিচ্ছেন তারা। তাদের হাতে রয়েছে বিভিন্ন স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন।

বিএনপি ছয় বিভাগের যে রোড মার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, এটি তার তৃতীয়। গত ২১ মার্চ কিশোরগঞ্জ থেকে সিলেট এবং ২৩ মার্চ বরিশাল থেকে পিরোজপুর অভিমুখে রোড মার্চ হয়।

ঝিনাইদহের জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনার সঞ্চালনার সমাবেশে বিএনপির  ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, শামসুজ্জামান দুদু, নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সৈয়দ মেহেদি আহমেদ রুমি, কেন্দ্রীয় নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সোহরাব উদ্দিন, আজিজুল বারী হেলাল, রফিকুল ইসলাম বকুল, আসাদুজ্জামান আসাদ, জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু যুব দলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানি, ছাত্রদলের সভাপতি রাশেদ ইকবাল খান বক্তব্য দেন।

(প্রতিবেদনটি প্রথম ফেইসবুকে প্রকাশিত হয়েছিল ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেইসবুক লিংক)