১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

নবায়নযোগ্য জ্বালানির নতুন দিগন্ত হতে পারে তিস্তা

তিস্তা মহাপরিকল্পনা চূড়ান্ত হওয়ার আগেই কি হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে খাসজমি? অপরিকল্পিত জমি বরাদ্দ নাকি পরিকল্পিত সৌরবিদ্যুৎ পার্ক—কোনটি বাঁচাবে উত্তরাঞ্চলের কৃষি, পরিবেশ ও জ্বালানি ভবিষ্যৎ?

নবায়নযোগ্য জ্বালানির নতুন দিগন্ত হতে পারে তিস্তা
কৃষিজমি নষ্ট না করে তিস্তা মহাপরিকল্পনার অধীনে প্রস্তাবিত ৭২.৯৩ বর্গকিলোমিটার সংরক্ষিত জমিতে গড়ে তোলা সম্ভব সুবিশাল সৌরবিদ্যুৎ পার্ক। ছবি: ফরহাদ আলম সুমন

নজরুল ইসলাম হক্কানী নজরুল ইসলাম হক্কানী

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Aug 2026, 10:34 AM

Updated : 11 Sep 2026, 03:48 PM

বাংলাদেশ আজ এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, যেখানে জলবায়ু সংকট ও জ্বালানি নিরাপত্তার প্রশ্ন একই সূত্রে এসে মিলেছে। একদিকে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে খরা, বন্যা, নদীভাঙন, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং চরম আবহাওয়ার অভিঘাত ক্রমেই তীব্র হচ্ছে; অন্যদিকে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের অর্থনীতিকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় বাড়ছে, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির সামান্য অস্থিরতাও দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাকে নড়বড়ে করে তুলছে।

এই বাস্তবতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর এখন আর শুধু পরিবেশ রক্ষার কর্মসূচি নয়; এটি জাতীয় অর্থনীতি, জ্বালানি সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অপরিহার্য শর্ত।

সম্প্রতি তিস্তা তীরবর্তী গঙ্গাচড়ার মহিপুরে অনুষ্ঠিত ‘জলবায়ু ও জ্বালানি সুরক্ষা: তরুণদের ভাবনা ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক আলোচনায় একদল তরুণ জলবায়ুকর্মী ও গবেষক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু মতামত তুলে ধরেন। তাদের বক্তব্য ছিল স্পষ্ট—জলবায়ু পরিবর্তন ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কা নয়; এটি বর্তমানের বাস্তবতা। এই বাস্তবতায় জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর উন্নয়ন মডেল দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হতে পারে না। বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সৌর, বায়ু ও জলবিদ্যুতের মতো নবায়নযোগ্য শক্তিকে জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের কেন্দ্রে স্থান দিতে হবে।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত এখনো মূলত গ্যাস, কয়লা ও তেলনির্ভর। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি কিংবা ভূরাজনৈতিক সংঘাতের প্রভাব সরাসরি দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় ও সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রতিফলিত হয়। ইউক্রেইন-রাশিয়া যুদ্ধ বিশ্বকে দেখিয়েছে, জ্বালানি কত বড় ভূরাজনৈতিক অস্ত্র। মধ্যপ্রাচ্যে হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান অস্থিরতাও একই বাস্তবতার ইঙ্গিত দেয়। এসব অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে, আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থা কখনোই দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। জ্বালানি সার্বভৌমত্ব অর্জনের জন্য দেশীয় সম্পদ ও নবায়নযোগ্য শক্তির বিকল্প নেই।

সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন থেকেই যায়—বৃহৎ পরিসরে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি কোথায় পাওয়া যাবে? কৃষিজমি ব্যবহার করলে খাদ্যনিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে; বনভূমি কিংবা বসতভিটা ব্যবহার করলে সৃষ্টি হবে নতুন পরিবেশগত সংকট।

এই প্রশ্নের একটি বাস্তবসম্মত উত্তর লুকিয়ে আছে তিস্তা মহাপরিকল্পনার মধ্যে।

তিস্তা শুধু উত্তরাঞ্চলের একটি নদী নয়; এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সম্ভাবনার ভূখণ্ড। নদী পুনর্বিন্যাস, ড্রেজিং, তীর সংরক্ষণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী পুনরুদ্ধার এবং ভূমি উন্নয়নের সমন্বিত পরিকল্পনার মাধ্যমে তিস্তা অববাহিকাকে নতুনভাবে গড়ে তোলার যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নদী ব্যবস্থাপনা উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

সমীক্ষা অনুযায়ী, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রায় ১৭০ বর্গকিলোমিটার নতুন ভূমি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব, যার সম্ভাব্য অর্থনৈতিক মূল্য প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা। পরিকল্পনা অনুযায়ী পুনরুদ্ধারকৃত ভূমির ৫৪.৬৭ বর্গকিলোমিটার আধুনিক কৃষির জন্য, ৬.৮২ বর্গকিলোমিটার পরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য, ৩৬.৪৫ বর্গকিলোমিটার নদীভাঙন ও প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের জন্য এবং ৭২.৯৩ বর্গকিলোমিটার শিল্প ও সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য সংরক্ষণের প্রস্তাব রয়েছে। অর্থাৎ, সবচেয়ে বড় অংশটি ভবিষ্যতের শিল্পায়ন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়নের জন্য নির্ধারিত।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মহাপরিকল্পনায় ১৫০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, তিস্তা শুধু নদী পুনরুদ্ধারের প্রকল্প নয়; এটি উত্তরাঞ্চলকে পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদনের একটি নতুন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সুস্পষ্ট রূপরেখাও বহন করছে।

বিশ্বের বহু দেশ নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্পের সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়নকে একীভূত করেছে। নেদারল্যান্ডস, চীন এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নদীতীর পুনর্বিন্যাসের পর সৌরবিদ্যুৎ পার্ক, সবুজ শিল্পাঞ্চল এবং পরিবেশবান্ধব নগরায়ণের সফল উদাহরণ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশও সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে। তিস্তার পুনরুদ্ধারকৃত ভূমিতে পরিকল্পিত সৌরবিদ্যুৎ পার্ক গড়ে উঠলে উত্তরাঞ্চল শুধু দেশের খাদ্যভাণ্ডার হিসেবেই নয়, পরিচ্ছন্ন জ্বালানির অন্যতম কেন্দ্র হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করবে।

কিন্তু এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত প্রশ্ন সামনে আসে।

মহাপরিকল্পনা এখনো বাস্তবায়নের অপেক্ষায় থাকলেও ইতোমধ্যে তিস্তা তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকায় কয়েক হাজার একর খাসজমি চিহ্নিত করে প্রতীকী মূল্যে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাছে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্র নয়, বিভিন্ন ধরনের বেসরকারি প্রকল্পের জন্যও একই ধরনের ভূমি বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

অন্যদিকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ইন্ট্রাকো পাওয়ার প্ল্যান্টের উদ্যোগও এই অঞ্চলে নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের প্রবণতার ইঙ্গিত দেয়।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রয়োজনীয়তা অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো—জাতীয় মহাপরিকল্পনার আগে বিচ্ছিন্নভাবে ভূমি বরাদ্দ ও প্রকল্প অনুমোদন কতটা যৌক্তিক?

যদি মহাপরিকল্পনার ভূমি ব্যবহার নীতিমালা কার্যকর হওয়ার আগেই গুরুত্বপূর্ণ খাসজমি বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ হয়ে যায়, তাহলে ভবিষ্যতে পরিকল্পিত সৌরবিদ্যুৎ পার্ক, শিল্পাঞ্চল, পুনর্বাসন এলাকা কিংবা কৃষি উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় জমি সংকুচিত হয়ে যেতে পারে। এতে একটি সমন্বিত জাতীয় পরিকল্পনার বাস্তবায়ন জটিল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই উদ্বেগ শুধু স্থানীয় মানুষের নয়; নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পরিবেশ নিয়ে গবেষণারত রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল তরুণ গবেষকের মতামতও একই বিষয় তুলে ধরেছে। মাহিদ ও মিলির নেতৃত্বে তাদের একটি প্রতিনিধিদল আমার রংপুরের বাসায় এসে দীর্ঘ আলোচনা করেন। তাদের বক্তব্য ছিল—নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিরোধিতা নয়; বরং এর পরিকল্পিত, বৈজ্ঞানিক এবং সমন্বিত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।

তাদের মতে, তিস্তা মহাপরিকল্পনায় নির্ধারিত ভূমি ব্যবহার কাঠামোর বাইরে যত্রতত্র বিদ্যুৎকেন্দ্র কিংবা সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে তোলা হলে ভবিষ্যতে কৃষি, পরিবেশ, নদী ব্যবস্থাপনা এবং শিল্প উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে। বরং মহাপরিকল্পনায় নির্ধারিত ৭২.৯৩ বর্গকিলোমিটার শিল্প ও সৌরবিদ্যুতের জন্য সংরক্ষিত এলাকাকেই বৃহৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা উচিত।

তরুণ গবেষকদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মত হলো, তিস্তা অববাহিকায় বৃহৎ নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার আওতায় বাস্তবায়িত হওয়া উচিত। কারণ ভূমি ব্যবস্থাপনা, নদীশাসন, পরিবেশ সংরক্ষণ, বিদ্যুৎ সঞ্চালন অবকাঠামো এবং জনস্বার্থের সমন্বয় কেবল রাষ্ট্রই নিশ্চিত করতে পারে। বিচ্ছিন্ন বেসরকারি উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় পরিকল্পনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে উঠতে পারে।

তিস্তা মহাপরিকল্পনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্ভাবনা রয়েছে। নদী খননের ফলে যে বিপুল পরিমাণ বালু ও পাথর উত্তোলিত হবে, তা যদি সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ভিত্তিতে সরকারি ব্যবস্থাপনায় বাজারজাত করা যায়, তাহলে বিপুল রাজস্ব আয় সম্ভব। সেই অর্থের একটি অংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি অবকাঠামো নির্মাণ, নদী সংরক্ষণ, স্থানীয় উন্নয়ন এবং প্রকল্পের অর্থায়নে বিনিয়োগ করা যেতে পারে।

তবে এসব সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে প্রয়োজন শক্তিশালী রাজনৈতিক অঙ্গীকার, সুস্পষ্ট আইন, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং কঠোর বাস্তবায়ন কাঠামো। পুনরুদ্ধারকৃত ভূমি যেন দখল, অব্যবস্থাপনা কিংবা স্বল্পমেয়াদি বাণিজ্যিক স্বার্থের শিকার না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি, শিল্প, পরিবেশ, পুনর্বাসন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য পৃথক ভূমি ব্যবহার নীতিমালা আইনি ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।

বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি। তাই তিস্তা মহাপরিকল্পনাকে কেবল নদীশাসনের প্রকল্প হিসেবে দেখলে এর প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করা যাবে না। এটি হতে পারে উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণ, কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন, সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন, তিস্তার সঙ্গে বিচ্ছিন্ন শাখা-উপনদী ও প্রশাখাগুলোর পুনঃসংযোগ, পরিবেশ পুনরুদ্ধার, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সবুজ অর্থনীতির একটি সমন্বিত জাতীয় কর্মসূচি। ‘তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ’-এর ছয় দফা কর্মসূচির অন্যতম দর্শনও এই সমন্বিত উন্নয়ন ভাবনা।

সাহসী রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা এবং জনসম্পৃক্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিস্তা একবিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের নতুন উন্নয়ন দর্শনের প্রতীক হয়ে উঠতে পারে। তখন তিস্তা শুধু একটি নদী থাকবে না; এটি হয়ে উঠবে জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন, জ্বালানি সার্বভৌমত্ব, পরিকল্পিত ভূমি ব্যবস্থাপনা এবং সবুজ শিল্পায়নের এক অনন্য মডেল—যেখান থেকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন শক্তি, টেকসই উন্নয়ন এবং আত্মনির্ভর অর্থনীতির নতুন পথ খুঁজে পাবে।

এজন্যই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে তিস্তা অববাহিকায় নতুন ভূমি বরাদ্দ ও বড় অবকাঠামো প্রকল্প অনুমোদনে সাময়িক নীতিগত স্থগিতাদেশ দেওয়া খুবই জরুরি। এটাই আজ তিস্তাপাড়ের মানুষের মূল দাবি।

নজরুল ইসলাম হক্কানী শিক্ষাবিদ, প্রাবন্ধিক এবং সভাপতি, তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ। ই-মেইল: nazrul.hakkani@gmail.com