১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সড়ক বাতির শতবর্ষী খুঁটি

ঢাকার সড়কে বৈদ্যুতিক বাতি বসে ১৯০১ সালে; নবাব খাজা আহসানুল্লাহর উদ্যোগে। নগরবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে এ বাতির ব্যবস্থা করেন তিনি। এতে খরচ পড়ে সাড়ে চার লাখ টাকার মতো। ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার প্রধান সড়কগুলোতে জ্বলে ওঠে বিজলি বাতি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Dec 2025, 08:47 PM

Updated : 01 Sep 2026, 11:54 AM

এক নজরে

ঢাকার সড়কে বৈদ্যুতিক বাতি বসে ১৯০১ সালে; নবাব খাজা আহসানুল্লাহর উদ্যোগে। নগরবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে এ বাতির ব্যবস্থা করেন তিনি। এতে খরচ পড়ে সাড়ে চার লাখ টাকার মতো। ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর ঢাকার প্রধান সড়কগুলোতে জ্বলে ওঠে বিজলি বাতি।

ঢালাই লোহার তৈরি সড়কবাতির এসব খুঁটির অপরের অংশে ছিল নানা ধরনের নকশা। বাতি ঝোলানো থাকত দুই পাশে।  ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

ঢালাই লোহার তৈরি সড়কবাতির এসব খুঁটির অপরের অংশে ছিল নানা ধরনের নকশা। বাতি ঝোলানো থাকত দুই পাশে

১৯০১ সালে বসানো এ ধরনের বিদ্যুৎতের খুঁটি উচ্চতায় ছিল ১২ ফুট। নবাব আহসানউল্লাহর উদ্যোগে এসব খুঁটি বসানো হয়। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

১৯০১ সালে বসানো এ ধরনের বিদ্যুৎতের খুঁটি উচ্চতায় ছিল ১২ ফুট। নবাব আহসানউল্লাহর উদ্যোগে এসব খুঁটি বসানো হয়

ঢাকার অন্যান্য এলাকার সঙ্গে ১৯০১ সালে নবাবপুরের তাহেরবাগ লেনে বসানো হয় বৈদ্যুতিক বাতির এ খুঁটি। উদ্যোগটি ছিল নবাব আহসানউল্লাহর।  ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

ঢাকার অন্যান্য এলাকার সঙ্গে ১৯০১ সালে নবাবপুরের তাহেরবাগ লেনে বসানো হয় বৈদ্যুতিক বাতির এ খুঁটি। উদ্যোগটি ছিল নবাব আহসানউল্লাহর

নবাব আহসানউল্লাহর উদ্যোগে ১৯০১ সালে ঢাকার প্রধান প্রধান সড়কে বসানো হয় বৈদ্যুতিক বাতির খুঁটি, যেগুলো তৈরি করা হয় ঢালাই লোহা দিয়ে। ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

নবাব আহসানউল্লাহর উদ্যোগে ১৯০১ সালে ঢাকার প্রধান প্রধান সড়কে বসানো হয় বৈদ্যুতিক বাতির খুঁটি, যেগুলো তৈরি করা হয় ঢালাই লোহা দিয়ে

পুরান ঢাকায় ১২৪ বছর আগে বসানো এসব খুঁটি দেখভালের অভাবে হারিয়ে গেছে।  টিকে থাকা এ খুঁটির অবস্থান নবাবপুরের তাহেরবাগ লেনে।  ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

পুরান ঢাকায় ১২৪ বছর আগে বসানো এসব খুঁটি দেখভালের অভাবে হারিয়ে গেছে। টিকে থাকা এ খুঁটির অবস্থান নবাবপুরের তাহেরবাগ লেনে

ঢালাই লোহার তৈরি সড়কবাতির এসব খুঁটির অপরের অংশে ছিল নানা ধরনের নকশা। বাতি ঝোলানো থাকত দুই পাশে।  ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

ঢালাই লোহার তৈরি সড়কবাতির এসব খুঁটির অপরের অংশে ছিল নানা ধরনের নকশা। বাতি ঝোলানো থাকত দুই পাশে

নগরবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ১৯০১ সালে ঢাকার সড়কগুলোতে প্রথমবারের মতো বৈদ্যুতিক বাতি বসান নবাব আহসানউল্লাহ। সেই সময়ের একটি খুঁটি এখনো টিকে আছে নবাবপুরের তাহেরবাগ লেনে।  ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

নগরবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ১৯০১ সালে ঢাকার সড়কগুলোতে প্রথমবারের মতো বৈদ্যুতিক বাতি বসান নবাব আহসানউল্লাহ। সেই সময়ের একটি খুঁটি এখনো টিকে আছে নবাবপুরের তাহেরবাগ লেনে

নবাবপুর তাহেরবাগ লেনে শত বছরের পুরনো বৈদ্যুতিক সড়কবাতির খুঁটিটি ঢাকা পড়ে গেছে এখনকার বৈদ্যুতিক খুঁটির আড়ালে।  ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

নবাবপুর তাহেরবাগ লেনে শত বছরের পুরনো বৈদ্যুতিক সড়কবাতির খুঁটিটি ঢাকা পড়ে গেছে এখনকার বৈদ্যুতিক খুঁটির আড়ালে

পুরান ঢাকায় ১৯০১ সালে বসানো এসব খুঁটির প্রায় সবই হারিয়ে গেছে। নবাবপুরের তাহেরবাগ লেনে টিকে থাকা এ খুঁটি সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।  ছবি: আব্দুল্লাহ আল মমীন

পুরান ঢাকায় ১৯০১ সালে বসানো এসব খুঁটির প্রায় সবই হারিয়ে গেছে। নবাবপুরের তাহেরবাগ লেনে টিকে থাকা এ খুঁটি সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা