১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

গোলাপ দেখতে এক গ্রামে

সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে তুরাগ নদীর তীরের ছোট্ট গ্রাম শ্যামপুর। গ্রাম জুড়ে গোলাপ ফুলের চাষ হয় বলে নাম হয়েছে গোলাপগ্রাম।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Dec 2024, 06:41 PM

Updated : 01 Sep 2026, 11:15 AM

এক নজরে

সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে তুরাগ নদীর তীরের ছোট্ট গ্রাম শ্যামপুর। গ্রাম জুড়ে গোলাপ ফুলের চাষ হয় বলে নাম হয়েছে গোলাপগ্রাম।

ছুটির দিনগুলোতে গোলাপ ফুলের এই মৌসুমে গোলাপগ্রামে নামে পর্যটকদের ঢল। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

ছুটির দিনগুলোতে গোলাপ ফুলের এই মৌসুমে গোলাপগ্রামে নামে পর্যটকদের ঢল

বিরুলিয়া ইউনিয়নের শ্যামপুরে আগে দর্শনার্থীর তেমন আনাগোনা না থাকলেও গত কয়েক বছর ধরে তাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। প্রবেশপথে গাড়ি রেখে পায়ে হেঁটে যেতে গ্রামের ভেতর। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

বিরুলিয়া ইউনিয়নের শ্যামপুরে আগে দর্শনার্থীর তেমন আনাগোনা না থাকলেও গত কয়েক বছর ধরে তাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। প্রবেশপথে গাড়ি রেখে পায়ে হেঁটে যেতে গ্রামের ভেতর

গোলাপ গ্রামের ভেতরে আকা-বাঁকা মেঠোপথের দুই পাশে কেবলই গোলাপ বাগান থাকলেও প্রতি বছরই কমছে বাগানের সংখ্যা। সঠিক দাম না পাওয়া, ভালো ফলন না হওয়ারি মতো নানা কারণে উৎসাহ হারাচ্ছেন চাষিরা। তাছাড়া আবাসন কোম্পানির কাছে জমি বেচেও অনেকে ফুল চাষ থেকে সরে যাচ্ছেন। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

গোলাপ গ্রামের ভেতরে আকা-বাঁকা মেঠোপথের দুই পাশে কেবলই গোলাপ বাগান থাকলেও প্রতি বছরই কমছে বাগানের সংখ্যা। সঠিক দাম না পাওয়া, ভালো ফলন না হওয়ারি মতো নানা কারণে উৎসাহ হারাচ্ছেন চাষিরা। তাছাড়া আবাসন কোম্পানির কাছে জমি বেচেও অনেকে ফুল চাষ থেকে সরে যাচ্ছেন

যত দূর চোখ যাবে, দেখা মিলবে কেবলই গোলাপের। সৌন্দর্য উপভোগ করতে পর্যটকদের অনেকেই দলবেঁধে ঘুরে বেড়ান বাগানে বাগানে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

যত দূর চোখ যাবে, দেখা মিলবে কেবলই গোলাপের। সৌন্দর্য উপভোগ করতে পর্যটকদের অনেকেই দলবেঁধে ঘুরে বেড়ান বাগানে বাগানে

গোলাপ বাগানে ঘুরতে আসা বেশির ভাগ দর্শনার্থীকে দেখা যায় ছবি তোলায় ব্যস্ত সময় পার করতে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

গোলাপ বাগানে ঘুরতে আসা বেশির ভাগ দর্শনার্থীকে দেখা যায়

গোলাপ বাগানে ঘুরতে আসা বেশির ভাগ দর্শনার্থীকে দেখা যায় ছবি তোলায় ব্যস্ত সময় পার করতে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

গোলাপ বাগানে ঘুরতে আসা বেশির ভাগ দর্শনার্থীকে দেখা যায়

গোলাপ বাগানে ছবি তুলতে গিয়ে অনেকেই বেখেয়ালে ফুল গাছের ক্ষতি করে, সেই সঙ্গে ঘুরতে আসা পর্যটকরা ছিড়ে নিয়ে যায় ফুল। এসব কারণে বাগানে জনপ্রতি প্রবেশ ফি ৫০ টাকা ঠিক করে দিয়েছেন চাষিরা। এই ফি দিয়ে ইচ্ছে মতন ছবি তোলা গেলেও ফুল নিতে হলে দিতে হবে আলাদা টাকা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

গোলাপ বাগানে

গোলাপগ্রামে ঘুরতে আসা পর্যটকদের জন্য জায়গায় জায়গায় ফুল নিয়ে বসে থাকেন স্থানীয়রা। তারা একটি ফুলের দাম রাখেন ১০ থেকে শুরু করে ৩০ টাকা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

গোলাপগ্রামে ঘুরতে আসা পর্যটকদের জন্য জায়গায় জায়গায় ফুল নিয়ে বসে থাকেন স্থানীয়রা। তারা একটি ফুলের দাম রাখেন ১০ থেকে শুরু করে ৩০ টাকা

গোলাপগ্রামে ঘুরতে আসা পর্যটকদের জন্য জায়গায় জায়গায় ফুল নিয়ে বসে থাকেন স্থানীয়রা। তারা একটি ফুলের দাম রাখেন ১০ থেকে শুরু করে ৩০ টাকা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

গোলাপগ্রামে ঘুরতে আসা পর্যটকদের জন্য জায়গায় জায়গায় ফুল নিয়ে বসে থাকেন স্থানীয়রা। তারা একটি ফুলের দাম রাখেন ১০ থেকে শুরু করে ৩০ টাকা

বাজারের থেকে বেশি দামে বেচা যায় বলে দর্শনার্থীদের কাছে ফুল বেচায় আগ্রহ বেশি চাষিদের। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

বাজারের থেকে বেশি দামে বেচা যায় বলে দর্শনার্থীদের কাছে ফুল বেচায় আগ্রহ বেশি চাষিদের

সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে হাজারি, মিরান্ডা, লিংকন, বঁধুয়া, হলুদ, সাদা- নানা নামের আর জাতের গোলাপের চাষ হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে হাজারি, মিরান্ডা, লিংকন, বঁধুয়া, হলুদ, সাদা- নানা নামের আর জাতের গোলাপের চাষ হয়

সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে হাজারি, মিরান্ডা, লিংকন, বঁধুয়া, হলুদ, সাদা- নানা নামের আর জাতের গোলাপের চাষ হয়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে হাজারি, মিরান্ডা, লিংকন, বঁধুয়া, হলুদ, সাদা- নানা নামের আর জাতের গোলাপের চাষ হয়

বছর কয়েক আগেও গোলাপগ্রামের প্রতিটি বাগান ছিল উন্মুক্ত; কিন্তু দর্শনার্থীরা বাগান নষ্ট করায় এখন নেটের কাপড় দিয়ে উঁচু করে ঘিরে রাখা হয় বাগান। সেই সঙ্গে বাগানে ঢোকার জন্য ৫০ টাকা ফি ঠিক করা হয়েছে। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

বছর কয়েক আগেও গোলাপগ্রামের প্রতিটি বাগান ছিল উন্মুক্ত; কিন্তু দর্শনার্থীরা বাগান নষ্ট করায় এখন নেটের কাপড় দিয়ে উঁচু করে ঘিরে রাখা হয় বাগান। সেই সঙ্গে বাগানে ঢোকার জন্য ৫০ টাকা ফি ঠিক করা হয়েছে

সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে গোলাপ গ্রামে শুক্রবার বন্ধের দিনে সবচেয়ে বেশি মানুষের ভিড় থাকে। সারি সারি গোলাপ ফুল দেখতে সব বয়সী দর্শনার্থী সেখানে যায়। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে গোলাপ গ্রামে শুক্রবার বন্ধের দিনে সবচেয়ে বেশি মানুষের ভিড় থাকে। সারি সারি গোলাপ ফুল দেখতে সব বয়সী দর্শনার্থী সেখানে যায়

গোলাপ বাগানে ছবি তুলতে গিয়ে অনেকেই বেখেয়ালে ফুল গাছের ক্ষতি করে, সেই সঙ্গে ঘুরতে আসা পর্যটকরা ছিড়ে নিয়ে যায় ফুল। এসব কারণে বাগানে জনপ্রতি প্রবেশ ফি ৫০ টাকা ঠিক করে দিয়েছেন চাষিরা। এই ফি দিয়ে ইচ্ছে মতন ছবি তোলা গেলেও ফুল নিতে হলে দিতে হবে আলাদা টাকা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

গোলাপ বাগানে