Published : 13 Aug 2024, 07:12 PM
দেহের অন্যান্য অংশের চাইতে ঠোঁটের ত্বক বেশি পাতলা। তাই রোদের তাপে ক্ষতিও হয় তাড়াতাড়ি।
যদি অনেকক্ষণ রোদে থাকার পর মনে হয় ঠোঁট লালচে হয়ে ফুলে গেছে, মনে যদি হয় ঠোঁটে আগুন ধরে গেছে তবে বুঝে নিতে হবে শুধু রোদেই পোড়েনি, সেখানে থেকে বিষাক্ততাও ছড়িয়ে পড়েছে। যাকে বলে ‘সান পয়জনিং’।
এই বিষয়ে ক্যালিফোর্নিয়া’তে অবস্থিত ‘লো জোলা’র চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আজাদি সিরাজি ওয়েলঅ্যান্ডগুড ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলেন, “শুধু পাতালা আর কোমলই নয়, তাপ থেকে ঠোঁট প্রতিরক্ষার জন্য সেখানে যথেষ্ট পরিমাণে মেলানিন থাকে না।”
আর এসপিএফ ছাড়া কোনো গ্লাসি লিপবাম বা গ্লস ব্যবহার করলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ে। কারণ এসব প্রসাধনীর চকচকেভাব সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ক্ষতি করার মাত্রা আরও বাড়িযে দেয়- মন্তব্য করেন্ এই চিকিৎসক।
ঠোঁটে ‘সান পয়েজনিং’ হওয়ার লক্ষণ
রোদে দেহের অন্যান্য জায়গার ত্বক পোড়া মানে ঠোঁটও পুড়তে পারে। সাধারণভাবে ঠোঁটের রোদপোড়া থেকে বিষাক্ততা ছড়িয়ে পড়ার লক্ষণগুলো হল- লালচেভাব, ব্যথা হওয়া, ফোসকা পড়া বা চামড়া ওঠা।
যুক্তরাষ্ট্রের অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের তথ্যানুসারে রোদে পোড়ার অন্যান্যে উপসর্গের মধ্যে থাকবে- পানিশূন্যতা, বমিভাব, মাথা ঝিমঝিমি করা বা হালকা লাগা, সমস্যা মারাত্মক হলে জ্ঞান হারানো ইত্যাদি।
বাজেভাবে ঠোঁট রোদে পুড়ে যাওয়ার বৈশিষ্ট্যগুলো হল-
ঠোঁটে ‘সান পয়েজনিং’ হলে প্রতিকারের উপায়
প্রতিরোধ করতে
সূর্যের তাপ থেকে ঠোঁট সুরক্ষায় এসপিএফ যুক্ত লিপবাম ব্যবহার করতে হবে। না হলেও সানস্ক্রিন ঠোঁটে মাখা যাবে।
এছাড়া ছাতা ব্যবহার বা চওড়া টুপি পরার মাধ্যমেও মুখ ও ঠোঁটে ছায়া পড়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
আরও পড়ুন