Published : 09 Oct 2024, 07:22 PM
বাংলাদেশে গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০৩৩ জন রোগী।
নতুনদের নিয়ে এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজার ৮২২ জনে।
আর গত একদিনে এইডিস মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩ জন মারা গেছেন। এতে এ বছর মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯৬ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, একদিনে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪৪১ জন, ঢাকা বিভাগে ১৯৪ জন, ময়মনসিংহে ৩২ জন, চট্টগ্রামে ১৩১ জন, খুলনায় ৮০ জন, রাজশাহী বিভাগে ৫৯ জন, রংপুর বিভাগে ৭ জন, বরিশাল বিভাগে ৮৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
মঙ্গলবার পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩৬ হাজার ১৫১ জন রোগী। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩৪৭৫ জন রোগী। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ১৭৩৭ জন; আর ১৭৩৮ জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি।
এ বছর ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২২ হাজার ৬৯১ জন ঢাকার বাইরের জন। ঢাকার দুই মহানগর এলাকার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭ হাজার ১৩১ জন।
গত একদিনে যে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে দুজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং একজন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
গেল সেপ্টেম্বরে দেশে সবচেয়ে বেশি ১৯ হাজার ২৪১ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। ওই মাসেই সবচেয়ে বেশি ৮৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
অক্টোবরের প্রথম নয়দিনে ৮৮৮৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৩৩ জনের।
এর আগে জানুয়ারি মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ হাজার ৫৫ জন, যাদের মধ্যে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে হাসপাতালে ভর্তি হয় ৩৩৯ জন, যাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। মার্চ মাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩১১ জন; যাদের মধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এপ্রিল মাসে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫০৪ জন, যাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে দুইজনের। মে মাসে ৬৪৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। জুন মাসে ৭৯৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের।
জুলাই মাসে ২৬৬৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়, তাদের মধ্যে ১২ জনের মৃত্যু হয়। অগাস্টে ৬৫২১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল, যাদের মধ্যে ২৭ জনের মৃত্যু হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য রাখে ২০০০ সাল থেকে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে এ রোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি ১৭০৫ জনের মৃত্যুও হয় ওই বছর।