২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সম্মতি ছাড়া রেখাকে চুম্বন: ৫৭ বছর পর বিশ্বজিৎ বললেন, ‘ওই ঘটনা অর্থহীন’

ক্যামেরা চালু হওয়ার পর বিশ্বজিৎ তাকে চুম্বন করেন, এ ঘটনার পর রেখা নাকি ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 28 Sep 2026, 04:00 PM

Updated : 28 Sep 2026, 04:00 PM

তখনো বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করে উঠতে পারেননি রেখা। বয়সেও ছিলেন কিশোরী, সময় ১৯৬৯ সাল। সেই সময় অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বিপরীতে তিনি অভিনয় করেছিলেন ‘দো শিকারি’ সিনেমায়।

সিনেমার শুটিংয়ের সময় একটি চুম্বনের দৃশ্য ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনা পরে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থেকেছে। অভিযোগ উঠেছিল, রেখার সম্মতি না নিয়েই ক্যামেরার সামনে তাকে চুম্বন করেছিলেন বিশ্বজিৎ। ঘটনাটিতে নাকি ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন অভিনেত্রী।

দ্য ওয়াল জানিয়েছে, এত বছর পর সেই বিতর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন বিশ্বজিৎ।

সাক্ষাৎকারে প্রবীণ অভিনেতা বিশ্বজিৎ বলেন, বর্তমান সময়ের সিনেমার দিকে তাকালে তখনকার ওই দৃশ্যকে ‘অতটা বড় বিষয় বলে মনে হয় না’।

চলচ্চিত্রের রূপ বদলে যাওয়া নিয়ে তিনি বলেন, “আজকের যুগে দাঁড়িয়ে ওই ঘটনার আর কোনও বিশেষ অর্থই নেই। এখন পর্দায় চুমু খাওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাপার। আজকাল সিনেমায় যে ধরনের সাহসী দৃশ্য দেখানো হয়, সেগুলো দেখলে আমি নিজেই অবাক হয়ে যাই।”

তিনি এও মনে করেন যে, বিতর্ক সিনেমার ইতিহাস ও দীর্ঘ যাত্রারই একটি স্বাভাবিক অংশ এবং সময়ের হওয়ার সঙ্গে এসব চর্চাও থিতিয়ে যায়।

তবে চুম্বন দৃশ্যে রেখার সম্মতি নিয়েছিলেন কি না, সাক্ষাৎকারে সরাসরি সেই প্রশ্নের উত্তর দেননি অভিনেতা।

পরবর্তীতে তাদের দেখা হয়েছিল কি না জানতে চাইলে বিশ্বজিৎ বলেন, রেখার সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়েছিল এবং সম্পর্কও বেশ স্বাভাবিক ছিল।

কেবল তাই নয়, বিশ্বজিৎ যখন প্রযোজক ও পরিচালক হিসেবে সিনেমা তৈরি করেন, তখন রেখা তার সিনেমাতে অভিনয় করেছিলেন।

রেখাকে ঘিরে ১৯৬৯ সালের ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় আসে লেখক ইয়াসার উসমানের লেখা রেখার জীবনী ‘রেখা: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ প্রকাশের পর।

বইটিতে ‘দো শিকারি’র শুটিংয়ের সেই ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, চুমুর দৃশ্যটি সম্পর্কে রেখাকে আগে থেকে জানানো হয়নি।

ক্যামেরা চালু হওয়ার পর বিশ্বজিৎ তাকে চুম্বন করেন। ঘটনার পর রেখা নাকি ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন।

ওই সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন বিনোদ খান্না এবং আমজাদ খান।