১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

পর্যটনই ঘুরিয়ে দিতে পারে নেপালকে: মনীষা

“আমরা চাই মানুষ জানুক আমাদের সুন্দর আবহাওয়া, চোখজুড়ানো হিমালয়, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মানুষের উষ্ণ অভ্যর্থনার কথা।”

গ্লিটজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 01 Sep 2026, 09:40 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:56 PM

পর্যটনে নেপাল যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেজন্য বিশ্ববাসীকে দেশটির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বলিউডি অভিনেত্রী মনীষা কৈরালা।

তার মতে, পর্যটন শিল্প আবার সচল হয়ে উঠলেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এ কাজে প্রতিবেশী ভারত ও চীনের সহায়তা বেশি প্রয়োজন। 

কাঠমান্ডুতে ‘ইন সলিডারিটি উইথ নেপাল’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে কথা বলছিলেন নেপালের মেয়ে মনীষা। 

নেপালের পর্যটন খাত ক্ষতির মুখে পড়তে শুরু করে কোভিড মহামারীর সময়ে। এরপর দুটি বিমান দুর্ঘটনা আকাশপথের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন উদ্বেগ তৈরি করে। 

নেপালের পর্যটন খাত গত বছরের সেপ্টেম্বরে যখন মূল মৌসুমে প্রবেশ করছিল, তখনই ‘জেন-জি’ প্রজন্মের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন পুরো খাতকে হঠাৎ স্থবির করে দেয়।

নাজুক এমন এক সময়েই নেপালে আঘাত হানল আরেকটি নতুন বিপর্যয়।

পর্যটন নিয়ে ভারত, চিন ও নেপাল- এই তিন প্রতিবেশী দেশকে একযোগে কাজ করার অনুরোধ জানিয়েছেন মনীষা। 

তিনি বলেন, “আমি অনুরোধ করব, তিন প্রতিবেশী রাষ্ট্র হাতে হাত মিলিয়ে যেস যৌথভাবে কিছু করে। ভৌগোলিক ও পরিবেশগত ভাবে আমরা একে অপরের সঙ্গে যুক্ত। তাই ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয়রোধে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতেই হবে।’

নেপালের ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে পর্যটন যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা তুলে ধরে মনীষা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে বলেন, “তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ দুর্যোগ ঘটেছে এ কথা সত্য। কিন্তু নেপালিদের জীবনযাত্রার মূল চালিকাশক্তি হল পর্যটন। 

“আমরা চাই না নেপাল বিশ্বমঞ্চে দুর্বল দেশ হিসেবে পরিচিত হোক। আমরা চাই মানুষ জানুক আমাদের সুন্দর আবহাওয়া, চোখজুড়ানো হিমালয়, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং মানুষের উষ্ণ অভ্যর্থনার কথা। তাই আপনাদের ভালোবাসা ও সহায়তা বজায় রেখে আগের মতই নেপাল আসুন।”

নেপাল মনীষার জন্মস্থান। তার পিতামহ বিশ্বেশ্বর প্রসাদ কৈরালা ছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী।

গেল ২৬ অগাস্ট হিমালয় সীমান্ত অঞ্চলে প্রলয়ঙ্করী প্লাবনের পর নেপাল বিধ্বস্ত। মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। মিলছে না নিখোঁজদের সন্ধানও।