১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

দেব-শুভশ্রীর ‘পুরনো প্রেম’ চর্চায় কেন

‘ধূমকেতু’ মুক্তি ঘিরে দুজনের পুরোনো প্রেম নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

গ্লিটজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Aug 2025, 11:41 AM

Updated : 26 Aug 2026, 01:30 PM

অল্প বয়সের দুই অভিনেতা-অভিনেত্রী জুটি বেঁধে চুটিয়ে অভিনয় করছিলেন। তাদের রসায়নে দর্শকরা যেমন মুগ্ধ ছিলেন, তেমনভাবে তারা নিজেরাও একে অপরের প্রতি মুগ্ধ ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত পর্দার এই জুটি আর বাস্তবে গাঁটছড়া বাঁধেনি।

সেই দুজন হলেন কলকাতার দীপক অধিকারী দেব এবং শুভশ্রী গাঙ্গুলি। কেন বা কার কারণে তাদের প্রেম ভেঙেছিল, তা এতদিন পর ফাঁস করেছে কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার।  

শুভশ্রী যার ঘরনী, সেই রাজ চক্রবর্তী ২০০৯ সালে ‘চ্যালেঞ্জ’ সিনেমায় নায়ক-নায়িকার চরিত্রে নিয়ে আসেন দেব ও শুভশ্রীকে।  সিনেমাটি ব্লকবাস্টার হয়। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি এই জুটিকে। 

‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘রোমিও’ থেকে ‘খোকাবাবু’সহ একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমায় এই জুটিকে পেয়েছে দর্শক। 

‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’ সিনেমায় কাজ করার সময় দেব-শুভশ্রী তাদের প্রেমের কথা যে যার পরিবারকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু বিয়ের আগেই সম্পর্ক চুকে যায়।

আনন্দবাজার লিখেছে, শুভশ্রীর সঙ্গে প্রেমের মধ্যেই দেবের জীবনে আরেক নারীর আবির্ভাব ঘটে। তিনি হলেন অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। যদিও তখনো তিনি অভিনয়ে আসেননি, করতেন মডেলিং। 

রুক্মিণীকে নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে দেবের সঙ্গে সম্পর্কে ছেদ টানেন শুভশ্রী। তবে রুক্মিণী মৈত্র এবং দেবের প্রেমের কথা তারা নিজেরাই আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছিলেন পরবর্তীতে।

প্রেম ভাঙার পরও ২০১৫ সালে ‘ধূমকেতু’ সিনেমায় জুটি বাঁধেন দেব-শুভশ্রী। কাজের প্রতি পেশাদারিত্ব থেকেই তারা একসঙ্গে কাজ করতে রাজি হয়েছিলেন। শুটিংও শেষও করেছিলেন প্রতিশ্রুতি মেনে।

অবশেষে কৌশিক গাঙ্গোপাধ্যায়ের পরিচালনায় এই সিনেমাটি মুক্তি পেতে চলেছে ১৪ অগাস্টে।

সিনেমাটির মুক্তি ঘিরে দুজনের পুরোনো প্রেম নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

শুভশ্রী জানিয়েছেন, তারা পেশাদার। ভালো চিত্রনাট্য, চরিত্র পেলে আবার একসঙ্গে কাজ করবেন। 

দেব বলেন, “এই জন্মে না শুভশ্রী তার নাম থেকে দেবকে সরাতে পারবে, না আমি আমার নাম থেকে শুভশ্রীকে সরাতে পারব। অনস্ক্রিন জুটি হিসেবে।”

নির্মাতা রাজ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, তিনিও সিনেমাটির মুক্তির প্রতীক্ষায় দিন গুণছেন।

আর রুক্মিণী বলেন, “আমি জানি, দেব নিজে কতখানি প্রতীক্ষায় ছিল।”