১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

অমিতাভ হাসপাতালে?

“আমি তো শান্তিতে বাজরার রুটি আর সবজি খেয়ে নিলাম, আর এদিকে কাকের দল নানা কথা বলেই যাচ্ছে।”

গ্লিটজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 May 2026, 01:20 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:18 PM

বলিউডের মহাতারকা অমিতাভ বচ্চন নাকি হাসপাতালে-সোশাল মিডিয়ায় এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই তার ভক্ত-অনুরাগীরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। 

সোশাল মিডিয়ায় অভিনেতার ছবি পোস্ট করে বহু মানুষ এই খবরের সত্যতা জানাতে চেয়েছেন। কেউ জানতে চেয়েছেন তার অসুস্থতা কতটা এবং হাসপাতালের নাম।

মঙ্গলবার রাতে এই আলোচনার মধ্যে এনডিটিভি জানিয়েছে, অমিতাভ হাসপাতালে ভর্তি হননি। বরং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। চিকিৎসকের অনুমতি নিয়েই ‘জলসায়’ ফিরেছেন বিগ বি। 

এই গুজবের সূত্রপাত করেন মুম্বাইয়ের আলোচিত বিনোদন সাংবাদিক ভিকি লালওয়ানি। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছিলেন যে গেল ১৬ মে থেকে অমিতাভ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তিনি আরও বলেছিলেন, পেটে গোলমালের কারণে অমিতাভের চিকিৎসা চলছে নানাবতি হাসপাতালের ভিআইপি কেবিনে এবং তার ছেলে অভিষেক বচ্চনকেও ওই হাসপাতালে যাতায়াত করতে দেখা গেছে। 

এই খবর প্রথম সামনে আসে গেল শনিবার। পরদিন রোববার অমিতাভকে তার মুম্বাইয়ের বাসভবন ‘জলসা’র বাইরে ভক্তদের শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায়। এমনকি অমিতাভকে নিজে গাড়ি চালিয়ে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাতায়াত করতেও দেখা যায়। এতে করে বিনোদন সাংবাদিক ভিকি লালওয়ানির খবর যে ভিত্তিহীন ছিল তা স্পষ্ট হয়ে যায়। 

বুধবার ভোরে নিজের ব্লগ পোস্টেও ভক্তদের আশ্বস্ত করেন অমিতাভ। রসিকতার ঢঙে তিনি লেখেন, “যখন ঈগল চুপ থাকে, তখন টিয়াপাখিরা বেশি কথা বলতে শুরু করে। আমি তো শান্তিতে বাজরার রুটি আর ভাজা সবজি খেয়ে নিলাম, আর এদিকে কাকের দল নানা কথা বলেই যাচ্ছে।” 

বাড়ির বাইরে অপেক্ষারতদের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে ব্যক্তিগত ব্লগে তিনি লিখেছেন, "শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাথে দেখা করতে বের হই, কর্মচারী, নিরাপত্তাকর্মী এবং পুলিশ আমাকে জানায় যে তারা আমাকে দেখার জন্য প্রস্তুত... আর আমি যখন এগোতে থাকি, তখন এক ধরনের আশঙ্কা কাজ করে...তারা কি সেখানে থাকবে...তারা কি আমাকে অভিবাদন জানাবে... নাকি ধিক্কার দেবে...?  আর তারপর আমি উল্লাসধ্বনি শুনতে পাই, অ্যাড্রেনালিন সক্রিয় হয়ে ওঠে..."।

তিনি জানিয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই অনিদ্রাজনিত সমস্যায় ভুগছেন। গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করলেও অনেক সময় তার ঘুম আসে না।

অমিতাভ লিখেছেন, “ভোর হতে চললেও ঘুমের দেখা পাওয়া যায় না। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে একজন মানুষের অন্তত সাত ঘণ্টা ঘুমানো উচিত। কিন্তু কাজের ব্যস্ততায় সেটি সব সময় সম্ভব হয় না।” 

ঘুম না এলে গভীর রাতে সেতার ও স্লাইড গিটারের ধীরলয়ের সংগীত তাকে শান্তি দেয় বলে জানিয়েছেন অমিতাভ।

অমিতাভেরকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘ভেত্তাইয়া’এবং ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ সিনেমায়। এখন তিনি ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ সিনেমা সিক্যুয়েলের কাজ নিয়ে ব্যস্ত।