১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

পদাতিকের ‘আলিবাবা ও চল্লিশ চোর’ শিল্পকলায়

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায শিল্পকলার জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে নাটকটি মঞ্চস্থ করবে।

পদাতিকের ‘আলিবাবা ও চল্লিশ চোর’ শিল্পকলায়
‘আলিবাবা ও চল্লিশ চোর’ নাটকের দৃশ্য। ছবি: পদাতিকের সৌজন্যে।

গ্লিটজ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Dec 2025, 09:57 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:23 PM

নাট্যদল পদাতিকের নতুন প্রযোজনা ‘আলিবাবা এবং চল্লিশ চোর’ আসছে ঢাকার মঞ্চে। 

আরব্য রজনীর গল্প অবলম্বনে এই নাটকটি তৈরি হয়েছে।  

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে নাট্যতীর্থ আয়োজিত 'নবীন প্রবীণ নাট্যমেলায়' পদাতিক নাট্যসংসদ তাদের এই নাটকটি মঞ্চস্থ করবে। 

‘আলিবাবা এবং চল্লিশ চোর’ পদাতিকের ৪৫ তম প্রযোজনা। নাট‍্যরূপ দিয়েছেন উম্মে হানী। অভিনয় আয়তন পরিকল্পনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন সুদীপ চক্রবর্তী।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, সম্রাট শাহরিয়ার তার প্রথম স্ত্রীর কাছ থেকে প্রতারিত হন। ধীরে ধীরে তিনি এক নারীবিদ্বেষী শাসকে পরিণত হন। প্রতিদিন তিনি রাজ্যের একজন করে অবিবাহিত নারীকে বিয়ে করেন এবং তাকে শর্ত দেন, যদি তাকে গল্প শুনিয়ে সারা রাত জাগিয়ে রাখতে না পারে, তবে ভোর হতেই সেই নারীকে হত্যা করা হবে। 

একে একে নিহত হলেন রাজ্যের প্রায় সব নারী, বাকী রইলেন কেবল উজিরের দুই কন্যা। বড় কন্যার নাম শেহেরজাদ। এবার পালা আসে তার। দারুণ বুদ্ধিমতি শেহেরজাদ শুরু করেন গল্প বলা। বলতে বলতে পেরিয়ে যায় হাজার রাত। 

প্রতিটি গল্পই ধীরে ধীরে সম্রাট শাহরিয়ারকে মানবিক করে তোলে। সম্রাট শাহরিয়ার নিজের ভুল বুঝতে পারেন।

কথিত আছে, শেহেরজাদের বলা সেই গল্পগুলোর একটি হল ‘আলিবাবা এবং চল্লিশ চোর’। এ গল্পে কাঠুরে আলিবাবা কাঠ কাটতে গিয়ে বনের ধারে এক গুহায় আকস্মিকভাবে ডাকাতদলের গোপন ধনের ভাণ্ডারের সন্ধান পান। 

সেখান থেকে কিছু সম্পদ নিয়ে ফিরে আসেন তিনি। লোভে পড়ে তার ভাই কাসিমও যায় গুহায় এবং ডাকাতদের হাতে ধরা পড়ে প্রাণ হারায়।

আলিবাবা ভাইয়ের দেহ ফিরিয়ে এনে দাফন সম্পন্ন করে। কিন্তু ডাকাতদল আলিবাবার সন্ধানে বের হয় এবং ছদ্মবেশে তার ঘরে প্রবেশ করে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। বুদ্ধিমতী গৃহকমী মার্জিনা কৌশলে ডাকাতদলের দুরভিসন্ধি ব্যর্থ করে দেন।

সমাজে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ডাকাতদের বিচারের আওতায় আনা এবং তাদের লুট করে আনা সম্পদ সাধারণের মাঝে বন্টন করার আভাসের মধ্য দিয়ে শেষ হয় গল্পটি।

নাটকের নির্দেশনা সহযোগী ও আলো পরিকল্পনায় আছেন আহম্মেদ রাউফুর রহিম, সংগীত পরিকল্পনায় রুদ্র সাওজাল কাব্য ও রাইসা হাসিন। গীত প্রশিক্ষণে আজিজুল হিমেল, আবহধ্বনি পরিকল্পনায় রুদ্র সাওজাল কাব্য।

নৃত‍্যে সৈয়দা শামসি আরা, পোশাক পরিকল্পনায় মুনিরা মাহজাবীন মিমো, দ্রব্য ও অলংকার পরিকল্পনায় আছেন সৈয়দা শামসি আরা ও উম্মে হানী।

অভিনয় করছেন শরীফুল ইসলাম সাফি, মেঘা ঘোষ, সৈয়দা শামছি আরা সায়েকা, জিয়াউল হক, মোছা. জিনিয়া আজাদ, শাখাওয়াত হোসেন শিমুল, হাসিনা আকতার নিপা, জাবেদ পাটওয়ারী, ইব্রাহিম খলিল, নূর-ই-আলম সুমন, নুরুন্নাহার পাপিয়া, কামরুননেসা দোলন, তন্ময় বিশ্বাস, এস,এম, লিমন, নুসরাত জাহান বন্যা, বর্ষা ঘোষ, সবুজ খান, তপু চন্দ্র দাস, মনির হোসেন চিশতি, রাবেয়া রাবু, সাব্বির আহমেদ।