Published : 04 Mar 2026, 01:28 PM
নিজেকে ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের চরিত্রে ভাঙতে ভালোবাসেন বলে ভাষ্য কলকাতার অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের। এবার তিনি পর্দায় আসছেন একজন নারী প্রোমোটার হিসেবে।
সিনেমা ‘প্রোমোটার বৌদি’র প্রচারে এখন ব্যস্ত আছেন স্বস্তিকা। কলকাতার সংবাদমাধ্যম ‘সংবাদ প্রতিদিন’ এর সঙ্গে এই সিনেমার চরিত্রটি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন। পাশাপাশি নিজের প্রেম নিয়েও কথা বলেছেন অভিনেত্রী।
স্বস্তিকা বলেন, “আমার এই রোল শিফটটা খুব ভালো লাগছে। দারুণ এনজয় করছি আমি। কাকতালীয়ভাবে পরপর দুটো প্রোজেক্ট মুক্তি পাচ্ছে। গ্যাংলিডার হোক বা প্রোমোটার, এগুলো সবই পুরুষচালিত পেশা, সেখানে একজন মহিলাকে এই পেশায় দেখা গেলে সেটা ব্যতিক্রম। তবে এই দুটো কাজ করতে গিয়ে এমন অনেক ব্যতিক্রমী মহিলাদের সঙ্গে আমার পরিচয় হল। মহিলা বাস ড্রাইভার, মহিলা ফায়ার ফাইটার, মহিলা ডোম। এবং আমাদের শহরে বোধহয় একজন বা দুজন মহিলা প্রোমোটার আছেন। এই কাজটা করতে না এলে জানতেই পারতাম না পুরুষের অধীনে যে পেশা সেখানে এক, দুজন হলেও মহিলা আছে।”
গতানুগতিক ধারার বাইরে এ ধরনের সিনেমা যদি ভালো ব্যবসা করে, তাহলে প্রয়োজক ও পরিচালকরাও সাহসী হবেন বলে মন্তব্য করেছেন স্বস্তিবা।
নারী চরিত্র নিয়ে স্বস্তিকা বলেন, “বাংলা চলচ্চিত্রে এমন চরিত্রে কাস্ট করা খুব একটা হয়না। তবে শুরুটা হয়েছে বলা যায়।”
তার চরিত্রটি নিয়ে স্বস্তিকা বলেন, “সিনেমায় একজন মহিলা প্রোমোটার, সে বিবাহিত, তার জমজ বাচ্চা আছে, তার সংসার আছে। সে সংসারও করে, আর নিজের কাজ প্রোমোটারিও করে। সে শাখা সিঁদুর পরেই কাজটি করে। অথচ আমাদের সিনেমায় যেই কোনো মহিলাকে কোনও তথাকথিত ‘পৌরষচিত’ কাজটা করছে দেখানো হয়। তখনই তাকে জিনস, শার্ট অর্থাৎ পুরুষের পোশাক পরিয়ে দেওয়া হয়।
“মহিলাদের যখনই অ্যাকশন দৃশ্যে দেখি তখনই দেখি তারা প্যান্ট বা লেদার জ্যাকেট পরে রয়েছে। ‘কালীপটকা’ বা ‘প্রোমোটার বৌদি’– দুটোর ক্ষেত্রেই সেটা করা হয়নি, এটা আমার খুব ভালো লেগেছে।”
প্রেম নিয়ে স্বস্তিকার খোলামেলা বয়ান হল, তার জীবনে ‘সবসময়ই প্রেম থাকে’।
“আমি কোনো স্লট ফাঁকা রাখি না। প্রেমের স্লট ‘অলওয়েজ ফাস্ট ফিলিং’।”