Published : 12 Oct 2025, 08:12 PM
কয়েক মাসের জোরালো গুঞ্জন সত্যি হল। হলিউডের আলোচিত গায়িকা কেটি পেরি আর কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর প্রেমের মুহূর্ত বন্দি হয়েছে এক পর্যটকের তোলা ছবিতে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল যে ছবি প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা গেছে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারার উপকূলে একটি ইয়টে পেরি ও ট্রুডো পরস্পরকে আলিঙ্গন করে চুম্বন করছেন।
ছবিতে দেখা গেছে, ২৪ মিটার দীর্ঘ ইয়ট কারাভেলের ডেকে কালো সুইম স্যুট পরে আছেন ‘আই কিসড আ গার্ল’ গানের জন্য বিখ্যাত বিখ্যাত গায়িকা ৪০ বছর বয়সী পেরি। আর ৫৩ বছর বয়সী ট্রুডোর পরেছেন জিনস।
ছবিগুলো ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারা উপকূলে সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে এক পর্যটকের ক্যামেরায় ধরা পড়ে বলে লিখেছে ডেইলি মেইল।
এক প্রত্যক্ষদর্শী তিমি পর্যবেক্ষক বলেন, “পেরি ও ট্রুডো পর্যটক নৌকার কাছে এসে থামেন। এরপর হঠাৎ করে তারা একে অপরকে চুম্বন করতে শুরু করেন।”
ওই প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, তারা কয়েকজন প্রথম পেরি ও ট্রুডোকে চিনতে পারেননি।
“পরে ট্রুডোর হাতে থাকা ট্যাটুটি দেখে চিনে ফেলি।”
ট্রুডো-পেরির প্রেমের গুঞ্জন ওঠে গত জুলাইয়ে। ওই সময় একদিন তারা মন্ট্রিয়লের এক রেস্তোরাঁয় রাতের খাবার খেতে গিয়েছিলেন। এর কিছুদিন পরই দুজনকে মাউন্ট রয়্যাল পার্কে হাঁটতে দেখা যায়।
পরবর্তী সময়ে পেরির কানাডায় অনুষ্ঠিত ‘লাইফটাইমস’ ট্যুরের দর্শক সারিতেও উপস্থিত ছিলেন ট্রুডো।
ওই সময় কয়েকটি সংবাদমাধ্যম লিখেছিল, পেরি ও ট্রুডো প্রেমের প্রাথমিক স্তরে আছেন।
এর পরে খবর আসে তাদের যোগাযোগে ভাটা পড়েছে। কেউ কেউ আবার টিপ্পনি কেটে বলেছিলেন, ‘হয়ত সম্পর্কের নতুনত্ব কমে এসেছে’।
পেরির পরিচিত একজন মেইলকে বলেন, “ট্রুডোর প্রতি পেরি আগ্রহী। পেরি বলেন যে ট্রুডো একজন সত্যিকারের ভালো মানুষ, উঁচুমানের মানুষ। তারা একে অপরকে স্পষ্টতই অনেক পছন্দ করেন।”
অভিনেতা অরল্যান্ডো ব্লুমের সঙ্গে গেল জুনে দীর্ঘ নয় বছরের সম্পর্কের ইতি টানেন পেরি। পেরি-ব্লুমের ৫ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান ডেইজি ডাভ আছেন।
আর ট্রুডো ও সোফি গ্রেগোয়ারের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়েছে ২০২৩ সালে। তাদের ১৮ বছর সংসারে তিন সন্তান জেভিয়ার (১৭), এলা-গ্রেস (১৬) ও হ্যাড্রিয়েন (১১)।
প্রায় এক দশক আগে প্রগতিশীল রাজনীতির নতুন মুখ হিসেবে ক্ষমতায় উঠে এসেছিলেন ট্রুডো। দলকে পড়ন্ত অবস্থা থেকে টেনে তুলে ২০১৫ সালে বিপুল ভোটে জিতে ক্ষমতায় বসেন তিনি। চলতি বছরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।