১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আর জি কর কাণ্ড: প্রতিবাদী গান গাইলেন শিলাজিৎ

গানে গানে এই শিল্পী ফুটিয়ে তুলেছেন তাদের গিটার শুধু কাঁধে কাঁধে ঘুরবে না, প্রয়োজনে এই গিটার বন্দুক হয়ে যেতে পারে।

আর জি কর কাণ্ড: প্রতিবাদী গান গাইলেন শিলাজিৎ
আর জি কর কান্ডে গান গাইলেন শিলাজিৎ মজুমদার

গ্লিটজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Aug 2024, 11:48 AM

Updated : 26 Aug 2026, 10:19 AM

কলকাতার আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিবাদী গান বেঁধেছেন শিলাজিৎ মজুমদার। 

গানে গানে এই শিল্পী ফুটিয়ে তুলেছেন তাদের গিটার শুধু কাঁধে কাঁধে ঘুরবে না, প্রয়োজনে এই গিটার ‘বন্দুক’ও হবে।

সংবাদ প্রতিদিন লিখেছে, আন্দোলনের প্রথম দিন থেকেই প্রতিবাদে পথে নেমেছেন তারকারা। যারা সক্রিয়ভাবে পথে নামতে পারছেন না, তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের প্রতিবাদ বক্তব্য তুলে ধরছেন। অভিনয়শিল্পী থেকে সংগীতশিল্পীরা সকলেই ধাপে ধাপে পথে নামছেন। সবার কণ্ঠেই একটাই সুর- ‘এই অন্যায়ের বিচার চাই’। 

শিলাজিতের গানের কথাগুলো এমন-

যদি ভাবো গিটারটা শুধু কাঁধে কাঁধে ঘুরে যাবে, 

যদি ভাবো সব শুনে, 

সব বুঝে পাশ ফিরে শোবে, 

ভুল করছ!! 

এই গিটারটা বন্দুক হয়ে যেতে পারে…

যদি ভয় দেখাও নীল আকাশটা লালে লাল হয়ে যেতে পারে….

যদি চোখ রাঙাও!’ 

ফেইসবুকে ১ মিনিট ১৬ সেকেন্ডের গানটি প্রকাশ করেছেন শিলাজিৎ। এছাড়াও এই ঘটনার প্রতিবাদে এই শিল্পী তার ২৪ অগাস্টের একটি কনসার্ট স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন। 

সোমবার কলকাতার সংগীত শিল্পীরা এই প্রতিবাদ মিছিল ও পদযাত্রা করেছিলেন। তাতে অংশ নেন অঞ্জন দত্ত, দেবজ্যোতি মিশ্র, রূপম ইসলাম, ইমন চক্রবর্তী, অনুপম রায়, লোপামুদ্রা মিত্র, ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত, মনোময় ভট্টাচার্য, অন্তরা চৌধুরী, পটা, রথীজিৎ ভট্টাচার্য, অন্বেষা দত্তগুপ্তসহ অনেকে। 

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে এই ঘটনার ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত বিচারের প্রত্যাশা রেখেই প্রতিবাদ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন গায়ক-অভিনেতা ও নির্দেশক অঞ্জন দত্ত। 

আর জি কর কাণ্ডের মামলায় মঙ্গলবার প্রথম দিনের শুনানির পর দেশটির সুপ্রিম কোর্টে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় চেয়েছে। সেদিন দেশটির সুপ্রিম কোর্টে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। 

গত ৯ অগাস্ট কলকাতার আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় ধর্ষণের শিকার হন ৩১ বছর বয়সী ওই শিক্ষানবিশ নারী চিকিৎসক। গত ৮ অগাস্ট থেকে তিনি টানা ৩৬ ঘণ্টার ডিউটিতে ছিলেন, রাতে সহকর্মীদের সঙ্গে খাবার খেয়ে তিনি পালমোনোলজি বিভাগের সেমিনার হলে বিশ্রাম নিতে যান। সেখানে সকালে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

ময়নাতদন্তে নিহত চিকিৎসকের শরীরে চরম যৌন নির্যাতনের প্রমাণ মেলে। এরপরই উত্তাল হয়ে ওঠে আর জি কর হাসপাতালসহ পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি।

তখন থেকেই ওই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও চিকিৎসকদের কর্মবিরতি চলছে। ক্ষোভে-প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষেরাও।