নয় মাসে সনদ পেয়েছে ৯৪ চলচ্চিত্র, জমা নেই একটিও
৯৪টি চলচ্চিত্রের মধ্যে ৩৮টি পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা চলচ্চিত্র, ১২টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, বাকিগুলো ইংরেজি চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র।
‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড’ গঠনের নয় মাসে প্রদর্শনীর জন্য সনদ পেয়েছে ৯৪টি চলচ্চিত্র।
গেল বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ১৭ সেপ্টেম্বর সেন্সর বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়। সেখানে সেন্সর বোর্ড বাতিল করে সার্টিফিকেশন বোর্ড গঠন করা হয়।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মামুন অর রশিদের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, ৯৪টি চলচ্চিত্রের মধ্যে ৩৮টি পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা চলচ্চিত্র, ২৯টি ইংরেজি চলচ্চিত্র, ১২টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং ১৫টি প্রামাণ্যচিত্রকে প্রদর্শনের জন্য সনদ দিয়েছে সার্টিফিকেশন বোর্ড।
এ ছাড়া বিভিন্ন দূতাবাস থেকে পাঠানো এবং ফিল্ম ক্লাব ও চলচ্চিত্র সংসদ আয়োজিত উৎসবে প্রদর্শনের জন্য মোট ৪৮৪টি চলচ্চিত্রকে পরীক্ষণপূর্বক বিশেষ সনদ দেওয়া হয়েছে।
এর পাশাপাশি ১৯টি বাংলা ও ইংরেজি চলচ্চিত্রের ট্রেইলারকেও সনদ দিয়েছে চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, বর্তমান চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে সনদ গ্রহণের জন্য কোনো চলচ্চিত্রের আবেদন অপেক্ষমাণ নেই।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেট আইন, ২০২৩-এর ধারা ৩-এর উপ-ধারা (১) অনুযায়ী সার্টিফিকেশন বোর্ড গঠন করা হয়েছে।
১৫ সদস্যের এই চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব।
বোর্ডের অন্য সদস্যের মধ্যে রয়েছেন আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (চলচ্চিত্র), জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্মসচিব বা তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার প্রতিনিধি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি।
এছাড়াও রয়েছেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এবং চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গবেষক জাকির হোসেন রাজু, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক রফিকুল আনোয়ার রাসেল; প্রযোজক, পরিচালক, পরিবেশক, লেখক ও সংগঠক জাহিদ হোসেন; চলচ্চিত্র সম্পাদক ইকবাল এহসানুল কবির; চলচ্চিত্র পরিচালক খিজির হায়াত খান; অভিনেত্রী নওশাবা আহমেদ এবং চলচ্চিত্র পরিচালক তাসমিয়া আফরিন মৌ।
