Published : 18 Feb 2026, 05:40 PM
জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্যদিয়ে দেশের মানুষের বদলে যাওয়া ‘মনোজগতের’ সঙ্গে সংগতি রেখে অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন নতুন সরকারের অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, "দেশের অর্থনীতিতে লেভেল প্লেইং ফিল্ড থাকতে হবে এবং দেশের প্রতিটি মানুষের অর্থনীতিতে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করতে হবে এবং অর্থনীতির সুফল যেন তাদের কাছে যায়।"
তার ভাষ্য, "৫ অগাস্টের পরবর্তী সময়ে জনগণের মনোজগতে ব্যপক পরিবর্তন হয়েছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে সামাঞ্জস্যপূর্ণ অর্থনৈতিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
"প্রাথমিকভাবে আমাদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে, যেখানে খারাপ অবস্থা রয়েছে, সেগুলোর উন্নয়ন করতে হবে। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ইনস্টিটিউশনগুলোকে ‘রিকাভার’ করা। ইনস্টিটিউশনগুলোর মধ্যে পেশাদারিত্ব আনতে হবে; স্বচ্ছতা আনতে হবে,ইফিশিয়েন্সি আনতে হবে।"
বুধবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বরণ অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানের পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত জানায় অর্থ মন্ত্রণালয়।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে অর্থ প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর আহসান এইচ মনসুর, অর্থ বিভাগের সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. আবদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী মনে করেন, দেশের সব জনগণের অংশগ্রহণ থাকবে— এমন অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে।
“সব পর্যায়ের, সব শ্রেণিপেশার মানুষকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে পারলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।"
তিনি বলেন, পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক অর্থনীতিতে পরিণত করতে হবে।
“এটা সফলভাবে করতে হলে আমাদের ডিরেগুলেশন করতে হবে। লিবারলাইজেশন করতে হবে। অমরা শুধু ম্যানুফেচারিং নির্ভর অর্থনীতিতে না থেকে এটাকে ছড়িয়ে দিতে হবে। খেলাধুলা, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশাকে সম্পৃক্ত করতে হবে।”
আমীর খসরু উদাহরণ দিয়ে বলেন,“বরিশালের সাধারণ একটি শীতল পাটির দাম ৬০০ বা ৭০০ টাকা। শীতল পাটির কারিগরদের যদি কারুপ্রশিক্ষণ, ঋণ, অনলাইন মার্কেটিং— এসব সুযোগ তৈরি করে দেওয়া যায়, তাহলে তারা বিভিন্ন ডিজাইনের পাটি ও নানা রকমের সামগ্রি তৈরি করতে পারবেন এবং এটার বিশাল মার্কেট তৈরি হবে।”
জোনায়েদ সাকি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৩১ দফার বাস্তবায়নের আলোকে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।"