১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

এনবিআর দুই ভাগ হচ্ছে, ঈদের আগেই অধ্যাদেশ: চেয়ারম্যান

শুরুটা করতে হবে এবং বিবাদ যা থাকবে সে জায়গাটা আমরা পরে অ্যাড্রেস করবে।"

এনবিআর দুই ভাগ হচ্ছে, ঈদের আগেই অধ্যাদেশ: চেয়ারম্যান
জাতীয় রাজস্ব ভবন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 12 Mar 2025, 08:46 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:00 PM

ঈদের আগেই রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে দুই ভাগ হয়ে যাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), যা নতুন অর্থবছরের প্রথম থেকে কাজ শুরু করবে।

দেশের কর আদায়কারী প্রধান এ সংস্থার চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বুধবার এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, "প্রধান উপদেষ্টা গতকালও (মঙ্গলবার) আমাকে ডেকেছেন, তিনি বলেছেন ঈদের আগেই অধ্যাদেশ হয়ে যাবে।

"আগামী জুলাই থেকে কার্যকর হবে। যত দ্রুত সম্ভব এটা অপারেশনাল করব। আমরা সে দিকেই আগাচ্ছি। শুরুটা করতে হবে এবং বিবাদ যা থাকবে সে জায়গাটা আমরা পরে অ্যাড্রেস করবে।"

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ট্যাক্সেশন) অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ‘আয়কর আইন, ২০২৩: সংস্কার ও প্রেক্ষিত’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

এনবিআর দুই ভাগে বিভক্ত হলে সেখানে কারা থাকবেন ও কাজ করবেন সেটিও তুলে ধরেন এনবিআর চেয়ারম্যান। বলেন, "কিছু বাইরের এক্সপার্টও থাকবে, বিশেষ করে ইকোনমিক, ফাইন্যান্স ও রিসার্চ থেকে কিছু লোক থাকবে।"

তবে এনবিআরের কর ও শুল্ক ক্যাডাররাই মূলত এ কাজগুলো করবেন বলে ইঙ্গিত দেন তিনি।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ট্যাক্সেশন) অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ট্যাক্সেশন) অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।

তার ভাষ্য, "রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় যারা অভিজ্ঞ তারাই মূলত এ কাজগুলো করবেন। তার সঙ্গে অক্সিলারি ফোর্স হিসেবে অন্যরা থাকবেন। আমরা নৈর্ব্যত্তিকভাবে কোনো কিছু না দেখে আইনে যা আছে, এটা আমরা প্রয়োগ করতে পারব। আরো বেশি সময় দিতে পারবে।"

এর ফলে যেসব টিআইএনধারী রিটার্ন দাখিল করেন না, তাদেরকে নিয়ে আরও কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন তিনি। বিআইএনধারীদের নিয়েও কাজ করা যাবে বলে তুলে ধরেন তিনি।

তিনি বলেন, "আমাদের উপর রাজস্ব সংগ্রহের বড় চাপ থাকত। সেটি আমরা পলিসির উপর ভর করে আদায়ের চেষ্টা করতাম। এতে রাষ্ট্রের বড় ক্ষতি হয়ে গেল।

"বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে ইনকনসিসটেন্স বড় যন্ত্রণা। এজন্য অনেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। আামদের এখানে সুশাসনের অভাব। অনেক আইন আছে, প্রয়োগে শৈথিল্য। আইনের শাসন একেবারে অনুপস্থিত। করজাল ছোট এটাও সঠিক নয়। কর কম দেয় এটাও ঠিক নয়।"

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এনবিআর সদস্য (কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) জি এম আবুল কালাম কায়কোবাদ। 

কর কমিশনার ও সংগঠনের সভাপতি মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকীর সভাপতিত্বে আলোচ্য বিষয়ে উপস্থাপনা করেন কর অঞ্চল-৬ এর কর কমিশনার ইকতিয়ার উদ্দিন মামুন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন মহাসচিব সৈয়দ মহিদুল হাসান।