১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চট্টগ্রামে প্রতিবন্ধী নারীকে ‘গোপনে’ দাফনের চেষ্টা, স্বামী পলাতক

সালমাকে বছর পাঁচেক আগে নুরুল হুদা স্ত্রী পরিচয়ে বাড়িতে আনেন, বলেন চন্দনাইশ থানার ওসি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Feb 2026, 05:26 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:57 PM

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে বাকপ্রতিবন্ধী নারীর মৃত্যুর পর স্বামীর পালিয়ে যাওয়ার তথ্য দিয়েছে পুলিশ।  

গোপনে ওই নারীকে দাফনের চেষ্টা করার অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। 

সোমবার চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারি জামিরজুরি ঘোড়াপাড়া এলাকা থেকে সালমা বেগম (২৬) নামে এ প্রতিবন্ধী নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 

পুলিশ বলছে, বাক প্রতিবন্ধী সালমাকে বছর পাঁচেক আগে নুরুল হুদা স্ত্রী পরিচয়ে বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন। 

চন্দনাইশ থানার ওসি ইলিয়াস খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে তারা খবর পেয়েছেন এক নারীকে হত্যার পর স্বামী পালিয়ে গেছেন। তাকে গোপনে দাফনের প্রক্রিয়া চলছে। এরপর পুলিশ গিয়ে লাশ হেফাজতে নেয়। 

“নিহত সালমার চারটি শিশু সন্তান আছে। সবশেষ সন্তানের জন্ম হয়েছে গত ৪ ফেব্রুয়ারি। চার বছর বয়সি বড় সন্তান তার দাদির কাছে থাকে, অপর দুই সন্তানকে লালন পালনের জন্য তাদের স্বজনরা নিয়ে গেছে বলে নুরুল হুদার মায়ের ভাষ্য।” 

পরিবার ও প্রতিবেশীদের বরাতে ওসি বলেন, নুরুল হুদা মাদকাসক্ত। বেশির ভাগ সময় মাজারে মাজারে ঘুরে বেড়ান। কখন কখনও দিন মজুরের কাজ করেন। আবার বিভিন্ন সময়ে চুরি করতে গিয়ে ধরাও পড়েছেন বিভিন্ন এলাকায়। 

“নুরুল হুদা কোনো এক মাজার থেকে বাক প্রতিবন্ধী সালমাকে বিয়ে করে এনেছে বলে দাবি করেন। তবে ওই নারীর কোনো স্বজনের খোঁজ কখনও পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন সময়ে তিনি সালমাকে মারধর করতেন।”

ওসি বলেন, “সালমার শরীরে জহমের চিহ্ন দেখা গেছে। আমাদের ধারণা, গত রাতে সালমার মৃত্যু হয়েছে। সকালে পরিবারের সদস্যরা তার দাফনের ব্যবস্থা করেছিল।”  

এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, নুরুল হুদা তার দুই সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছেন।