Published : 29 Jul 2026, 05:11 PM
চট্টগ্রামের একাধিক হত্যা ও চাঁদাবাজি মামলার পলাতক আসামি মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন এবং তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে যশোরের ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান।
গ্রেপ্তাররা হলেন–চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে ইমন, তার সহযোগী মোহাম্মদ শামীম, মোহাম্মদ সাফায়েত হোসেন ও আলভি ইসলাম আলিপ।
বুধবার সকাল ১০টায় তাদের চট্টগ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানান।
তিনি বলেন, “চট্টগ্রাম পুলিশের রিকুইজিশন অনুযায়ী গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে যশোর ডিবি পুলিশ ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি টিম যশোর-ঢাকা মহাসড়কের ঝুমঝুমপুর এলাকায় অবস্থান নেয়। সেখানে চেকপোস্ট বসিয়ে তিন সঙ্গীসহ ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তা করা হয়।”
পুলিশ সুপার বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, তারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে যাওয়ার জন্য যশোর এসেছিলেন।”
ডেভিড ইমন চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। পুলিশ বলছে, চট্টগ্রামে সাজ্জাদের হয়ে নানা অপরাধমূলক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন ইমন।
সম্প্রতি চট্টগ্রামের একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কাছে বড় অঙ্কের চাঁদা দাবির ঘটনায় ইমনের নাম আসে।
বাকলিয়া এলাকায় 'ডিজিটাল ডট নেট' নামের একটি ইন্টারনেট সেবার কোম্পানির মালিকের কাছে এককালীন দুই কোটি টাকা এবং মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ৩০-৪০ জনের একটি দল ডিডিএন অফিসে গিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
ওই ঘটনার পর র্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে, আইএসপি প্রতিষ্ঠানে হামলাকারী ওই যুবকদের জনপ্রতি মাত্র ৫০০ টাকার বিনিময়ে ভাড়া করা হয়েছিল। আর এর পেছনে ছিলেন ইমন।