১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চবিতে ‘কিং কোবরা’ সাপ উদ্ধার

“আবাসস্থল সংকুচিত হলে বা বিরক্ত করা হলে এরা মানুষের সামনে চলে আসতে পারে।”

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Apr 2026, 12:23 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:23 PM

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কিং কোবরা প্রজাতির একটি সাপ উদ্ধার করেছে সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেক বাইট অ্যাওয়ারনেস।

শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ঝুপড়ির পেছনের ঝর্ণা থেকে আট ফুট লম্বা সাপটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় ইমাম হোসেন বাড়িতে সাপটির অবস্থান করার খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্নেক বাইট অ্যাওয়ারনেসের উপদেষ্টা ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহীম খলিল আল হায়দারের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পরে প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় সাপটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন তারা।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটি উদ্ধার করে। কিং কোবরা স্থানীয় এক বাসিন্দার কক্ষে ঢুকে পড়লে দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর সেটিকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।”

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কিং কোবরাসহ ব্ল্যাক ক্রেইট, ব্যান্ডেড ক্রেইট, গ্রিন পিট ভাইপার ও রেডনেক কিলব্যাক প্রজাতির বিষধর সাপের উপস্থিতি রয়েছে। 

সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহীম খলিল আল হায়দার বলেন, “উদ্ধার করা কিং কোবরাটি প্রায় ৮ ফুট লম্বা। তবে এটি ১৮ থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। 

“আজ উদ্ধার করা সাপটি আমার তত্ত্বাবধানে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে।”

তিনি বলেন, “কিং কোবরা বিষধর সাপ এবং এটি মূলত অন্যান্য সাপ খেয়ে বেঁচে থাকে। এর আরেকটি বিশেষত্ব হলো এরা সাধারণত মানুষকে কামড় দেয় না। বরং মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলে। 

“তবে আবাসস্থল সংকুচিত হলে বা বিরক্ত করা হলে এরা মানুষের সামনে চলে আসতে পারে।”

এর আগে ২০১৬ ও ২০২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে কিং কোবরা উদ্ধার করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।