১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আনোয়ারায় কুপিয়ে হত্যা: একজনের ফাঁসি, আটজনের যাবজ্জীবন

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ২০০০ সালে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

আনোয়ারায় কুপিয়ে হত্যা: একজনের ফাঁসি, আটজনের যাবজ্জীবন
চট্টগ্রামে পরীর পাহাড়ে অবস্থিত আদালত ভবন

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 29 Jan 2026, 06:29 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:49 PM

২৫ বছর আগে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় একজনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এক আসামির ফাঁসি ও আটজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। 

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হক এ রায় দেন। 

মৃত্যুদণ্ডের সাজা পাওয়া আসামি হলেন মনিরুল হক মনু। 

মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত আট আসামি হলেন- ছাইফুল হক, বদরুল হক, আজিজুল হক, আবদুল রাজ্জাক, মো. রফিক, ছৈয়দুল হক, বাবুল হক ও মো. হাছান।

রায় ঘোষণার সময় আসামি মো. রফিক, বাবুল হক ও আবদুর রাজ্জাক উপস্থিত ছিলেন। বাকি আসামিরা পলাতক।  

চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি এস ইউ এম নুরুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “খুনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এক আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং আট আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে। 

“পাশাপাশি প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন।”

এই মামলায় মোট ১১ জন আসামি ছিলেন জানিয়ে পিপি এস ইউ এম নুরুল ইসলাম বলেন, “বিচার চলাকালে দুই আসামি মারা যাওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।“ 

মামলার নথি থেকে জানা যায়, আনোয়ারা উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ নাছিমের সঙ্গে আসামিদের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। 

মামলায় বলা হয়, ২০০০ সালের ৭ জুলাই সকালে মোহাম্মদ নাছিমের নিয়োগ দেওয়া দিনমজুররা ওই জমির ঘাস পরিষ্কার করতে গেলে আসামিরা গুলি ছোড়ে। তখন নাছিমের ভাই  নুরুল আনোয়ার ও প্রতিবেশী নুর আহম্মদ বাধা দিতে এগিয়ে গেলে আসামিরা তাদের ওপর আগ্নেয়াস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে হামলা চালায়। 

এ মামলায় বাদী হন মোহাম্মদ নাছিম। মামলায় তদন্ত শেষে পুলিশ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। 

২০০৪ সালের ২২ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় আদালত। ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার আদালত রায় দেয়।