Published : 10 Jul 2024, 03:54 PM
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের অবরোধের কারণে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যেতে পারেনি ঢাকা ও কক্সবাজারগামী তিনটি ট্রেন। এছাড়া একটি ট্রেন চট্টগ্রাম স্টেশনে ঢুকতে পারেনি।
সরকারি চাকরির সব গ্রেডে সকল প্রকার ‘অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক’ কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লেখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটাকে ন্যূনতম মাত্রায় এনে সংসদে আইন পাস করে কোটাপদ্ধতি সংস্কারের এক দফা দাবিতে সারা দেশের মত চট্টগ্রামেও সড়ক ও রেলপথ অবরোধের ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি নিয়ে রাস্তায় নেমেছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা।
‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের’ ব্যানারে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে সারাদেশের মত কয়েকদিন ধরে চট্টগ্রামেও আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।
বুধবার সকাল ১১টা থেকে দেওয়ানহাট ব্রিজের নিচে রেললাইনে অবস্থান নিয়েছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। তারা রেললাইনে বসে থেকে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
তাদের এ অবস্থানের কারণে ঢাকা থেকে আসা পর্যটক এক্সপ্রেস বেলা ১১:৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও যেতে পারেনি বলে জানিয়েছেন পূর্ব রেলের বিভাগীয় রেল ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) সাইফুল ইসলাম।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “পর্যটক এক্সপ্রেস ছাড়াও বেলা ১২টায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ট্রেন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ ও বেলা তিটাটার ‘গৌধুলী এক্সপ্রেস’ ছাড়তে পারেনি।
“এছাড়া ঢাকা থেকে আসা ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ চট্টগ্রাম স্টেশনে প্রবেশ করতে না পেরে ফৌজদারহাট স্টেশনে অবস্থান করছে।”
কোটা সংস্কার আন্দোলনের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ বলেন, “সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা প্রথা সংস্কারের দাবিতে সারা দেশের মত চট্টগ্রামেও আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছি।
“সাধারণ শিক্ষার্থীরা রেললাইনে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান নিয়েছে।”
এদিকে টাইগার পাস মোড়েও আন্দোলনকারীরা অবস্থান নেয়ায় সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ আছে।
নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালী জোন) অতনু চক্রবর্ত্তী বলেন, “আন্দোলনকারীরা টাইগারপাস মোড়ে অবস্থান নেয়ায় সড়কে যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা যাতে হতে না পারে সেজন্য সেখানে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে।”